সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ: সব মন্ত্রণালয়কে হালনাগাদ তথ্য পাঠাতে বলল জনপ্রশাসন
সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ: মন্ত্রণালয়গুলোকে তথ্য পাঠাতে বলল জনপ্রশাসন

সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ: সব মন্ত্রণালয়কে হালনাগাদ তথ্য পাঠাতে বলল জনপ্রশাসন

সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে উল্লিখিত পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাছে শূন্য পদের হালনাগাদ তথ্য চেয়েছে। সম্প্রতি মন্ত্রণালয়গুলোর সিনিয়র সচিব ও সচিবদের কাছে পাঠানো চিঠিতে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী প্রতিবেদন জমা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পদক্ষেপ

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সাথে পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগ’ সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি। এই ইশতেহারের আলোকে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো তাদের কর্মপরিকল্পনা এবং বাস্তবায়ন কৌশল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইতোমধ্যে জমা দিয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এখন এই কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণ করা শুরু হয়েছে।

শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ জরুরি

সরকারি কর্মচারী নিয়োগসংক্রান্ত ইশতেহার অনুসারে, মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো প্রণীত কর্মপরিকল্পনা মোতাবেক নিম্নলিখিত বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোর শূন্য পদ
  • মাঠ পর্যায়ের অফিসগুলোর শূন্য পদ
  • পিএসসির মাধ্যমে পূরণযোগ্য এবং সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদসমূহ

এই তথ্য সংগ্রহ নিয়োগ প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রতিবেদন জমার নির্দেশনা

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় চিঠিতে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে কীভাবে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  1. ছক অনুযায়ী প্রতিবেদন পত্র পাওয়ার সাত কার্যদিবসের মধ্যে জমা দিতে হবে
  2. প্রতিবেদন প্রশাসন-২ শাখায় পিডিএফ ও ওয়ার্ড ফাইলের সফটকপি হিসেবে [email protected] ঠিকানায় বা ডিনথিতে পাঠাতে হবে
  3. পিএসসির মাধ্যমে পূরণযোগ্য শূন্য পদ থাকলে সংশ্লিষ্ট অধিযাচন এ মন্ত্রণালয়ের এপিডি অনুবিভাগে প্রেরণ করতে হবে
  4. প্রতিবেদন প্রতিমাসের ৫ তারিখের মধ্যে জমা দিতে হবে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে একটি কপি পাঠাতে হবে

এই পদক্ষেপ সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও গতি আনতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগ নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।