পাঁচ লাখ সরকারি চাকরির নিয়োগ ত্বরান্বিত করতে শূন্যপদের তথ্য চাইল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নিতে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাছে শূন্যপদের হালনাগাদ তথ্য চেয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। নির্ধারিত ছকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে সব মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও সচিবদের কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, যা সরকারের কর্মপরিকল্পনায় নতুন গতি এনেছে।
ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবায়ন কৌশল
চিঠিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর কর্মপরিকল্পনা এবং বাস্তবায়ন কৌশল ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। ‘স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগ’ এই ইশতেহারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এ প্রতিশ্রুতির আলোকে প্রণীত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করেছে, যা চাকরি বাজারে আশার আলো ছড়াচ্ছে।
শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ ও প্রতিবেদন প্রেরণ
সরকারি কর্মচারী নিয়োগসংক্রান্ত এই ইশতেহার বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, তাদের অধীন দপ্তর-সংস্থা এবং মাঠপর্যায়ের অফিসগুলোর শূন্য পদের তথ্য জানা অত্যন্ত জরুরি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:
- পিএসসির মাধ্যমে পূরণযোগ্য পদ
- সরাসরি নিয়োগযোগ্য সব ধরনের পদ
এ পরিস্থিতিতে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী প্রতিবেদন চিঠি পাওয়ার সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রশাসন-২ শাখায় পাঠাতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে পিডিএফ ও ওয়ার্ড ফাইলে সফটকপিও [email protected] ঠিকানায় পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা ডিজিটাল ব্যবস্থাপনাকে আরও সুসংহত করছে।
অতিরিক্ত নির্দেশনা ও মাসিক প্রতিবেদন
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, পিএসসির মাধ্যমে পূরণযোগ্য শূন্য পদ থাকলে তার অধিযাচন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এপিডি অনুবিভাগে পাঠাতে হবে। পাশাপাশি প্রতি মাসের ৫ তারিখের মধ্যে এ প্রতিবেদন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে কপিসহ প্রেরণ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে। এই পদক্ষেপটি সরকারের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা দেশের যুবসমাজের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।



