ই-ভ্যাটে অনলাইন রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ২৯ মার্চ পর্যন্ত বাড়াল এনবিআর
ই-ভ্যাট রিটার্ন সময়সীমা ২৯ মার্চ পর্যন্ত বাড়াল এনবিআর

ই-ভ্যাট সিস্টেমে অনলাইন রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়াল এনবিআর

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ই-ভ্যাট সিস্টেমে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ কর মেয়াদের জন্য অনলাইন রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। এই নতুন সময়সীমা আগামী ২৯ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

সরকারি চিঠিতে প্রকাশিত তথ্য

রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে এনবিআরের প্রথম সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নাহিদ নওশাদ মুকুল স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চিঠিতে এই সিদ্ধান্তের বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করা হয়েছে। চিঠিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই সময়সীমা বৃদ্ধি জনস্বার্থে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে গৃহীত হয়েছে।

সময়সীমা বৃদ্ধির প্রধান কারণ

এনবিআর কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে দুটি মুখ্য কারণ উল্লেখ করেছে:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • দীর্ঘ সরকারি ছুটি: পবিত্র ঈদুল ফিতর ও মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশজুড়ে দীর্ঘ সময় ধরে সরকারি ছুটি থাকায় করদাতাদের জন্য রিটার্ন দাখিলের কাজে বাধার সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
  • ই-ভ্যাট সিস্টেমের ধীরগতি: ই-ভ্যাট সিস্টেমের সেবা কিছুটা ধীরগতির হওয়ায় করদাতাদের সুবিধার্থে সময়সীমা বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে।

আইনি ক্ষমতা ও প্রয়োগ

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ধারা ৬৪-এর উপধারা (১ক)-এ প্রদত্ত বিশেষ ক্ষমতাবলে এই সময়সীমা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে। এই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এনবিআর কর মেয়াদের রিটার্ন দাখিলের জন্য অতিরিক্ত সময় প্রদানের সম্পূর্ণ বৈধতা নিশ্চিত করেছে।

করদাতাদের জন্য সুবিধা

এই সময়সীমা বৃদ্ধি করদাতাদের জন্য নিম্নলিখিত সুবিধা বয়ে আনবে:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  1. করদাতারা আরও পর্যাপ্ত সময় পাবেন তাদের ফেব্রুয়ারি ২০২৬ কর মেয়াদের রিটার্ন প্রস্তুত করতে এবং ই-ভ্যাট সিস্টেমে দাখিল করতে।
  2. ছুটির সময়ে সিস্টেমের ধীরগতির কারণে সৃষ্ট যেকোনো অসুবিধা এড়ানো সম্ভব হবে।
  3. জনস্বার্থে গৃহীত এই সিদ্ধান্ত করদাতাদের উপর অপ্রয়োজনীয় চাপ কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

এনবিআর কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে যে এই সময়সীমা বৃদ্ধি করদাতাদের জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করবে এবং ই-ভ্যাট সিস্টেমের মাধ্যমে কর রিটার্ন দাখিলের প্রক্রিয়াকে আরও সুগম করবে। করদাতাদেরকে সময়মতো তাদের রিটার্ন দাখিলের জন্য প্রস্তুত হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যাতে শেষ মুহূর্তের কোনো জটিলতা এড়ানো যায়।