ডা. শফিকুর রহমানের তীব্র সমালোচনা: সরকার ফ্যাসিবাদ কায়েমের ইঙ্গিত দিচ্ছে
ডা. শফিকুর রহমানের সমালোচনা: সরকার ফ্যাসিবাদ কায়েমের ইঙ্গিত দিচ্ছে

ডা. শফিকুর রহমানের তীব্র সমালোচনা: সরকার ফ্যাসিবাদ কায়েমের ইঙ্গিত দিচ্ছে

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি স্পষ্ট ভাষায় অভিযোগ করেছেন যে, সরকার আবারও ফ্যাসিবাদ কায়েমের ইঙ্গিত দিচ্ছে, তবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এই পদক্ষেপ প্রতিহত করা হবে। রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশে জুলাই শহীদ পরিবার ও আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

জুলাই জাদুঘর ও প্রতিষ্ঠানগুলোর দলীয়করণের অভিযোগ

জামায়াতের আমির দাবি করেন, জুলাই জাদুঘর জনগণের সম্পদ হলেও সেটিকে দলীয়করণের পথে নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিএনপি সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তার করছে। তার মতে, ক্রিকেট বোর্ড, বিশ্ববিদ্যালয় ও জেলা পরিষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই প্রভাব স্পষ্টভাবে লক্ষণীয়।

গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানে অবৈধ হস্তক্ষেপের অভিযোগ

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে অবৈধ হস্তক্ষেপের মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিবেশ সংকুচিত করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি মেনে নেওয়া হবে না, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।” তিনি রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করে উল্লেখ করেন, সংসদের ভেতরে যতদিন সংগ্রাম সম্ভব ততদিন থাকবেন, তবে মূল লড়াই হবে রাজপথে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নাহিদ ইসলামের বক্তব্য: পূর্ণ সফলতার লক্ষ্যে আন্দোলন

একই অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। আসন্ন আন্দোলনে ১১ দলের শীর্ষ নেতারা সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন বলেও জানান তিনি। নাহিদ ইসলাম বলেন, “এবার আমরা আংশিক নয়, পূর্ণ সফলতার লক্ষ্য নিয়ে রাজপথে নামবো। প্রয়োজনে নেতারাই সামনে থেকে ঝুঁকি নেবেন।”

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণকারীরা সরকারের নীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের আহ্বান জানান। তারা দাবি করেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পুনরুদ্ধার এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বক্তব্য আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচির দিকনির্দেশনা দিতে পারে।