মহাখালীতে আইএসইউ ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন
আইএসইউ ক্যাম্পাসে চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষ উদযাপন

মহাখালীতে আইএসইউ ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন

রাজধানীর মহাখালীতে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি (আইএসইউ) ক্যাম্পাসে চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে। 'প্রাণের উৎসবযাত্রা' শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ব্যাপক অংশগ্রহণে পুরো ক্যাম্পাস উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল আউয়াল খান, যার উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে ভিন্ন মাত্রা দান করে।

শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক প্রদর্শন

অনুষ্ঠানের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হিসেবে ক্যাম্পাস থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও সাজসজ্জায় অংশগ্রহণকারীরা বাঙালি সংস্কৃতির রঙিন চিত্র তুলে ধরেন। এই শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে, যা স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে উৎসবের আবহ ছড়িয়ে দেয়।

উপাচার্যের বক্তব্য ও আহ্বান

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল আউয়াল খান বলেন, বৈশাখী মেলা, বিভিন্ন উৎসব এবং শৈশবের স্মৃতি বাঙালি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা ও ক্যারিয়ারের পাশাপাশি নিজেদের সংস্কৃতির চর্চা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান, যাতে বাঙালি জাতি বিশ্ব দরবারে আরও মর্যাদাপূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অন্যান্য অংশগ্রহণকারী

অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মনজুর মোর্শেদ মাহমুদ, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম, আইকিউএসি পরিচালক প্রফেসর ড. মো: একরামুল হক, রেজিস্ট্রার মো. ফাইজুল্লাহ কৌশিকসহ বিভাগীয় প্রধান এবং শিক্ষকবৃন্দ। তাদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানের গুরুত্ব ও বৈচিত্র্য বৃদ্ধি করে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উৎসবের তাৎপর্য

পুরাতন বছরের বিদায় এবং নতুন বছরের আগমনকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি ছিল বাংলা সংস্কৃতির ঐতিহ্য, মূল্যবোধ ও উৎসবের আনন্দের এক উজ্জ্বল প্রতিফলন। এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সচেতনতা ও জাতীয়তাবোধ জাগ্রত করার একটি কার্যকরী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।