ঢাকার একটি প্রাণকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হলো বার্ষিক সৃজনশীলতা উৎসব। এতে অংশ নেয় শহরের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শত শত শিক্ষার্থী। উৎসবের মূল আকর্ষণ ছিল নৃত্য, সংগীত ও চিত্রকলার প্রতিযোগিতা।
উদ্বোধন ও অংশগ্রহণ
উৎসবের উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট সংস্কৃতিকর্মী মি. রহমান। তিনি বলেন, 'এ ধরনের আয়োজন তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।' উৎসবে মোট ৫০০ জনের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
প্রতিযোগিতার বিভাগসমূহ
- নৃত্য: একক ও দলীয় নৃত্যে অংশ নেয় ১০০ জনের বেশি প্রতিযোগী।
- সংগীত: একক ও যন্ত্রসংগীতে অংশ নেয় ৮০ জন।
- চিত্রকলা: জলরং ও তেলরঙে ১২০ জন প্রতিযোগী নিজেদের শিল্পকর্ম প্রদর্শন করে।
বিজয়ীদের পুরস্কার
প্রতিটি বিভাগের প্রথম তিনজনকে পুরস্কৃত করা হয়। বিজয়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ক্রেস্ট ও সনদপত্র। বিশেষ জুরি বোর্ডের সদস্যরা বলেন, 'প্রতিযোগীদের মান ছিল অসাধারণ।'
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ
উৎসবের দ্বিতীয় দিনে ছিল সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। এতে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে। শেষ দিনে আয়োজক কমিটি আগামী বছরের উৎসবের তারিখ ঘোষণা করে।
উৎসব শেষে আয়োজকরা জানান, তরুণদের প্রতিভা বিকাশে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে। অংশগ্রহণকারীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, 'এমন আয়োজন আমাদের অনুপ্রাণিত করে।'



