বর্জ্যমুক্ত ঢাকা গড়তে নাগরিক ও সিটি করপোরেশনের যৌথ অংশীদারত্বের বিকল্প নেই
বর্জ্যমুক্ত ঢাকা গড়তে নাগরিক-সিটি করপোরেশন অংশীদারত্ব জরুরি

বর্জ্যমুক্ত ঢাকা গড়তে নাগরিক ও সিটি করপোরেশনের যৌথ অংশীদারত্বের বিকল্প নেই

ঢাকা শহরকে বর্জ্যমুক্ত করার জন্য নাগরিক ও সিটি করপোরেশনের মধ্যে একটি যৌথ অংশীদারত্বের মডেল গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। তিনি সোমবার (৩০শে মার্চ) ডিএসসিসির নগর ভবনে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে বলেন, “যদি নাগরিকরা তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতনতা নিশ্চিত করেন তাহলে ৫০ শতাংশ কাজ হয়ে যাবে এবং সিটি করপোরেশন বাকি ৫০ শতাংশ দায়িত্ব পালন করে— তবেই একটি শতভাগ বর্জ্যমুক্ত শহর গড়ে তোলা সম্ভব।”

৫০-৫০ অংশীদারত্বের মডেল প্রস্তাব

অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক ঢাকা শহরকে বর্জ্যমুক্ত করার কার্যকর রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সফলতার জন্য নাগরিক ও সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে একটি ‘৫০-৫০’ অংশীদারত্বের মডেল প্রস্তাব করেন। এই মডেল অনুযায়ী, নাগরিকদের সচেতনতা ও সহযোগিতার মাধ্যমে অর্ধেক কাজ সম্পন্ন হবে, এবং সিটি করপোরেশন অবশিষ্ট দায়িত্ব পালন করবে।

প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ বাস্তবায়ন

প্রশাসক জানান, প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ উদ্যোগ বাস্তবায়নে ডিএসসিসি ইতোমধ্যে মাতুয়াইল ল্যান্ডফিল্ডে ঢাকা রিসোর্স সার্কুলেশন পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে, বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব হবে এবং বর্জ্য দূষণের ফলে সৃষ্ট পরিবেশ বিপর্যয় রোধ করা যাবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জনসচেতনতা ও রিসাইক্লিং সংস্কৃতি গড়ে তোলা

জনসচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “উন্নত বিশ্বের মতো আমাদের দেশেও উৎস থেকে বর্জ্য পৃথকীকরণ এবং রিসাইক্লিংয়ের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।” তিনি ইএসডিও-র মতো সামাজিক সংগঠনগুলোকে নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি এবং বর্জ্য সংগ্রাহকদের প্রশিক্ষণের জন্য নিয়মিত কর্মশালা আয়োজনের আহ্বান জানান।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আন্তর্জাতিক বর্জ্যমুক্ত দিবস-২০২৬ উদ্যাপন

উল্লেখ্য, ৩০ মার্চ বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি) এবং জাতিসংঘ মানব বসতি কর্মসূচির (ইউএন-হ্যাবিট্যাট) উদ্যোগে আন্তর্জাতিক বর্জ্যমুক্ত দিবস-২০২৬ পালিত হচ্ছে। এবারের মূল প্রতিপাদ্য হলো— ‘খাদ্য অপচয় রোধ’। অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি ও ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত থেকে ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।