গ্রীষ্মের দুপুরে গরম ভাতের সঙ্গে ঠান্ডা স্বাদের একটি ভর্তা থাকলে খাওয়ার আনন্দই আলাদা। বেগুন পোড়া ভর্তা অনেকেরই পরিচিত পছন্দের খাবার। তবে লাউ পুড়িয়ে ভর্তা বানিয়েও যে অসাধারণ স্বাদ পাওয়া যায়, তা অনেকেরই জানা নেই।
লাউয়ের উপকারিতা
লাউ এমন একটি সবজি, যা গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে এটি হজমশক্তি বাড়াতেও উপকারী। যারা সাধারণত লাউ খেতে পছন্দ করেন না, তারাও ভিন্ন স্বাদের এই লাউ পোড়া ভর্তা একবার চেখে দেখতে পারেন।
উপকরণ
- ১টি মাঝারি আকারের লাউ
- ১ টেবিল চামচ তেল
- ৬-৭টি লবঙ্গ
- ১ টেবিল চামচ সর্ষের তেল
- আধা চা চামচ হিং
- ৪-৫টি বিউলির ডালের বড়ি
- ১ টেবিল চামচ জিরা
- ১ চা চামচ আদাকুচি
- ২ টেবিল চামচ পেঁয়াজ কুচি
- আধা কাপ টমেটো কুচি
- ১ চা চামচ লাল মরিচ গুঁড়ো
- ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো
- ১ চা চামচ ধনে গুঁড়ো
- আধা চা চামচ কসৌরি মেথি
- সামান্য কুচানো ধনেপাতা
- স্বাদমতো লবণ
প্রস্তুত প্রণালী
প্রথমে লাউ ভালোভাবে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন। এরপর ছুরি দিয়ে কয়েক জায়গায় ছোট ছোট ছিদ্র করে পুরো লাউয়ে সর্ষের তেল মাখিয়ে দিন। কয়েকটি স্থানে লবঙ্গ গুঁজে দিন।
চুলায় মাঝারি আঁচে লাউটি চারদিক ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পুড়িয়ে নিন, যাতে সব অংশ সমানভাবে ঝলসে যায়। ভেতরের অংশ নরম হয়ে এলে নামিয়ে ঠান্ডা করুন। এরপর পোড়া খোসা ছাড়িয়ে ভেতরের অংশ ভালোভাবে মেখে নিন।
এবার কড়াইয়ে তেল গরম করে বড়ি ভেজে তুলে নিন। একই তেলে জিরা ফোড়ন দিয়ে হিং, পেঁয়াজ কুচি ও আদাকুচি দিয়ে ভাজুন। পেঁয়াজ বাদামি হয়ে এলে টমেটো কুচি, হলুদ, ধনে ও মরিচ গুঁড়ো, সঙ্গে লবণ দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিন।
মসলা থেকে তেল ছাড়তে শুরু করলে এতে মাখানো লাউ যোগ করুন। মাঝারি থেকে উচ্চ আঁচে ৫ থেকে ১০ মিনিট রান্না করুন, যাতে সব মসলার স্বাদ লাউয়ের সঙ্গে মিশে যায়।
সবশেষে কসৌরি মেথি গুঁড়ো, কুচানো ধনেপাতা ও সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে নামিয়ে নিন। গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন সুস্বাদু লাউ পোড়া ভর্তা।



