সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি ও কাউন্সিল অব সিনিয়র স্কলারসের প্রধান শায়খ সালেহ আল-ফাওজান জিলহজ মাসের প্রথম দশক উপলক্ষে মুসলিম উম্মাহর প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মুসলমানদের এই বরকতময় দিনগুলোতে বেশি বেশি নেক আমল, ইবাদত ও আল্লাহর জিকিরে আত্মনিয়োগ করার তাগিদ দিয়েছেন। সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
জিলহজের প্রথম দশকের মর্যাদা
শায়খ সালেহ আল-ফাওজান রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিসের আলোকে উল্লেখ করেন, জিলহজের প্রথম দশ দিনের আমল মহান আল্লাহর কাছে বছরের অন্য যেকোনো সময়ের আমলের তুলনায় অধিক প্রিয় ও মর্যাদাপূর্ণ। তিনি বলেন, এই সময় ফরজ ইবাদত যথাযথভাবে আদায়ের পাশাপাশি নফল নামাজ, রোজা, দান-সদকা, কুরআন তিলাওয়াত এবং বেশি বেশি আল্লাহর জিকিরে মনোযোগী হওয়া উচিত।
গুনাহ থেকে দূরে থাকার গুরুত্ব
গ্র্যান্ড মুফতি সব ধরনের গুনাহ ও অন্যায় কাজ থেকে দূরে থাকার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তাঁর ভাষায়, জিলহজের এই দশ দিন আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে বান্দাদের জন্য রহমত, বরকত ও ক্ষমা লাভের এক মহামূল্যবান সুযোগ।
আরাফার দিনের রোজার ফজিলত
শায়খ সালেহ আল-ফাওজান আরাফার দিনের রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলেন, হজ পালনকারী ছাড়া অন্যান্য মুসলমানদের জন্য এ দিনের রোজা অত্যন্ত ফজিলতময় একটি আমল। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন— আরাফার দিনের একটি রোজা আল্লাহর রহমতে পূর্ববর্তী ও পরবর্তী— মোট দুই বছরের গুনাহের কাফফারা হয়ে যায়।
কুরবানি সংক্রান্ত নির্দেশনা
যারা কুরবানি দেওয়ার নিয়ত করেছেন, তাদের জন্যও বিশেষ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন গ্র্যান্ড মুফতি। তিনি বলেন, জিলহজ মাস শুরু হওয়ার পর থেকে কুরবানি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত কোরবানিদাতার নখ, চুল কিংবা শরীরের চামড়া না কাটা সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত। তিনি মুসলমানদের এ আমল যথাযথভাবে অনুসরণের আহ্বান জানান।



