ফেনীর ছাগলনাইয়ায় মাটি কাটাকে কেন্দ্রে সংঘর্ষে এক যুবক নিহত, দুইজন গুরুতর আহত
ফেনীতে মাটি কাটা সংঘর্ষে এক নিহত, দুই আহত

ফেনীর ছাগলনাইয়ায় মাটি কাটা সংঘর্ষে এক যুবক নিহত, দুইজন গুরুতর আহত

ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলায় কৃষিজমির মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন দুই জন। পুলিশ সাত জনকে আটক করেছে। শনিবার গভীর রাতে পাঠাননগর ইউনিয়নের কন্ট্রাক্টর মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ

নিহত ব্যক্তির নাম আবু আহাম্মদ হোনা মিয়া (৩৭)। তিনি ছাগলনাইয়া উপজেলার পূর্ব পাঠানগড় গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, হোনা মিয়া যুবদলের কর্মী ছিলেন। আহতরা হলেন একই গ্রামের জয়নাল আবেদিনের ছেলে আলাউদ্দিন সুজন (৩০) এবং নিহতের বড় ভাই নূরুল আলম কালা (৪০)।

গুরুতর আহত অবস্থায় সুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। নূরুল আলম কালা ফেনী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কিছুদিন ধরে একটি চক্র স্থানীয় সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনুর নির্দেশনা উপেক্ষা করে কৃষিজমির মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উত্তেজনা ও সংঘর্ষের পটভূমি

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে সংসদ সদস্য মাটি কাটার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করলেও গোপনে মাটি কাটার কার্যক্রম চলছিল। কয়েকদিন ধরে পাঠাননগর ইউনিয়নের কন্ট্রাক্টর মসজিদ এলাকায় মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। শনিবার দিবাগত রাতে সেই উত্তেজনা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

সংঘর্ষে ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা ব্যবহার করা হয় বলে জানা গেছে। রাত প্রায় ৩টার দিকে গুরুতর আহত তিন জনকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হোনা মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশি অভিযান ও আটক

ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রামবাসীর সহযোগিতায় স্থানীয় মাহাতির মজুমদার ও কামরুল হাসান জাহিদসহ সাত জনকে আটক করেছে। ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন মিয়া জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটকের জন্য অভিযান চলছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা জোরদার করেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।