ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেলেন
এহসানুল হক মিলন শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেলেন

ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বিজয়ী হয়েছেন। ১১০টি ভোটকেন্দ্র মিলিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ১৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আবু নসর আশরাফী পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭৭ ভোট।

শপথ গ্রহণের পর দায়িত্ব বণ্টন

১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের পর সেদিন বিকেলেই তাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়। এই পদক্ষেপটি তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও শিক্ষা খাতে পূর্বের অবদানকে স্বীকৃতি দেয়।

একজন বহুমুখী ব্যক্তিত্ব

ড. মিলন বাংলাদেশের একজন রাজনীতিবিদ, লেখক এবং সাবেক সংসদ সদস্য। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তার এই অভিজ্ঞতা নতুন দায়িত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শিক্ষাগত ও পেশাগত পটভূমি

আ ন ম এহসানুল হক মিলন ১৯৫৭ সালের ২৬ মার্চ চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শের ই বাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং গভর্নমেন্ট ইন্টারমিডিয়েট টেকনিক্যাল কলেজ (বর্তমান সরকারী বিজ্ঞান কলেজ) থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে স্নাতক সম্পন্ন করে ১৯৮২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে গমন করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মিলন নিউইয়র্ক ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর ব্রুকলিন কলেজ এবং বোরো অফ ম্যানহাটন কমিউনিটি কলেজে সহকারী প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং কর্মজীবনে ঔষধ শিল্পে রসায়নবিদ হিসেবে কাজ করেন। ২০১৮ সালে তিনি মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার গবেষণাপত্রের মূল বিষয় ছিল বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ভূমিকা।

রাজনৈতিক ক্যারিয়ার

মিলন ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ-২৬০ (চাঁদপুর-১) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক। ২০০১ সালে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। যেখানে তিনি আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী প্রাক্তন মন্ত্রী মহিউদ্দীন খান আলমগীরকে পরাজিত করেছিলেন।

তার এই নতুন দায়িত্ব বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষত, তার গবেষণা ও অভিজ্ঞতা কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসারে ভূমিকা রাখবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন।