সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পুলিশের হামলায় আহত বাংলানিউজের সাংবাদিক তোফায়েল আহমেদ
সোহরাওয়ার্দীতে পুলিশের হামলায় আহত সাংবাদিক

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পুলিশের হামলায় আহত বাংলানিউজের সাংবাদিক তোফায়েল আহমেদ

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযানের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে বাংলানিউজের মালটিমিডিয়া রিপোর্টার তোফায়েল আহমেদ পুলিশের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন। সোমবার রাতে আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ

হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সহকর্মী বিল্লাল হোসেন স্বাধীন জানান, রাত ৮টার দিকে তোফায়েল আহমেদ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মধ্যে লাইভ ভিডিও ধারণ করছিলেন। সে সময় পুলিশ তাকে অতর্কিতভাবে মারধর করে গুরুতর আহত করে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা গেছে, কয়েকজন পুলিশ মিলে সাংবাদিক তোফায়েল আহমেদকে বেদম মারপিট করছে। এই ভিডিওটি ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হাসপাতালের বক্তব্য

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, আহত ব্যক্তি জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন। তিনি জানান, তোফায়েল আহমেদের শারীরিক অবস্থা এখনও গুরুতর এবং তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

পুলিশের প্রতিক্রিয়া

ডিএমপির রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলম জানান, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। তিনি বলেন, এটি একটি ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। তিনি দ্রুত হাসপাতালে গিয়ে আহত সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলেছেন।

মাসুদ আলম আরও বলেন, পুলিশের যেসব সদস্য এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় পুলিশের অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

প্রতিক্রিয়া ও পরবর্তী পদক্ষেপ

এই ঘটনায় সাংবাদিক সমিতিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম সংগঠন তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা দাবি করেছে:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের দ্রুত বিচার
  • সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ
  • গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ

পুলিশ সুপারিশ্টেন্ডেন্ট মাসুদ আলম জানিয়েছেন, একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে যা ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখবে। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই ঘটনা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।