চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ-যুবলীগের মানববন্ধন, ভিডিও ভাইরাল
চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের মানববন্ধন ভিডিও ভাইরাল

চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ-যুবলীগের মানববন্ধন: ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীদের একটি মানববন্ধনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) এই ভিডিওটি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি গণমাধ্যম ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

মানববন্ধনের সময় ও স্থান

নগর ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম সামদানি জনি, যিনি বর্তমানে নিজেকে যুবলীগের নেতা হিসেবে পরিচয় দেন, ভিডিওটি শেয়ার করেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, বুধবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নগরের কোতোয়ালি এলাকার কোর্ট হিলে অবস্থিত জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে কর্মসূচিটি পালন করা হয়। তবে, এটি ঠিক কখন সংঘটিত হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে যাচাই করা যায়নি।

মানববন্ধনের উদ্দেশ্য ও দাবি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, সরকারি অফিস শুরু হওয়ার আগেই ভোরবেলা নেতা-কর্মীরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে মানববন্ধন করেন। তারা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানান। ব্যানারে গোলাম সামদানি জনির নামও স্পষ্টভাবে দেখা যায়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আয়োজক ও নির্দেশনা

গোলাম সামদানি জনি নিজের ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, শেখ ফজলে শামস পরশ ও মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিলের নির্দেশনায় এই কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে। এই এলাকায় জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, জেলা ও দায়রা জজ আদালতসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা অবস্থিত হওয়ায় ঘটনাটি আরো বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের তদন্ত

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আফতাব উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি আদৌ বুধবারের কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। পুলিশ সূত্রে আরো জানা গেছে, তারা ভিডিও ও ছবিগুলো বিশ্লেষণ করে ঘটনার সঠিক সময় ও পরিস্থিতি নির্ধারণের চেষ্টা করছে।

এই মানববন্ধন সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্কতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মসূচির সম্ভাব্য প্রভাব ও আইনি পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা চলছে।