ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনা: মেলোনির সাহস নিয়ে ভুল ধারণা ছিল আমার
ট্রাম্পের সমালোচনা: মেলোনির সাহস নিয়ে ভুল ধারণা

ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনা: মেলোনির সাহস নিয়ে ভুল ধারণা ছিল আমার

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির রাজনৈতিক সাহস নিয়ে নিজের ভুল ধারণার কথা স্বীকার করেছেন। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ইতালীয় সংবাদমাধ্যম ‘কোরিরে দেল্লা ছেরা’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি মেলোনির কঠোর সমালোচনা করে বলেন, “আমি ভেবেছিলাম মেলোনির সাহস আছে, কিন্তু আমি ভুল ছিলাম। তাকে নিয়ে আমি বিস্মিত।”

মেলোনিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ ব্যক্তি হিসেবে আখ্যায়িত

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও যোগ করেন যে, মেলোনি নিজে একজন ‘অগ্রহণযোগ্য’ ব্যক্তি। এর কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকার ভয়াবহতা নিয়ে মেলোনি যথেষ্ট চিন্তিত নন। ট্রাম্পের দাবি, “যদি ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকে এবং তারা সুযোগ পায়, তবে দুই মিনিটের মধ্যে ইতালিকে উড়িয়ে দেবে।”

দূরত্বের সূচনা: ইরান হামলা ও পোপ বিতর্ক

মূলত গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই দুই নেতার মধ্যে দূরত্বের সৃষ্টি হয়। জর্জিয়া মেলোনি শুরু থেকেই এই যুদ্ধের বিরোধিতা করে আসছেন। এর আগে পোপ চতুর্দশ লিওকে নিয়ে ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন যে, পোপ একজন দুর্বল ব্যক্তি এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ে তার কোনো ধারণা নেই। ট্রাম্পের এই বক্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন মেলোনি। তিনি বলেছিলেন, ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতাকে নিয়ে এ ধরনের মন্তব্য সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রতিবাদের পরিপ্রেক্ষিতে সাহসিকতা নিয়ে প্রশ্ন

মেলোনির সেই প্রতিবাদের পরিপ্রেক্ষিতেই ট্রাম্প এখন তার সাহসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন। উল্লেখ্য যে, এক সময় জর্জিয়া মেলোনিকে ট্রাম্পের একজন কট্টর ভক্ত হিসেবে গণ্য করা হতো। কিন্তু ইরান যুদ্ধ এবং পোপের অবমাননা নিয়ে মেলোনির অনড় অবস্থানের কারণে বর্তমানে এই দুই বিশ্ব নেতার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সম্পর্কে চরম তিক্ততা তৈরি হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই ঘটনা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যেখানে মেলোনির স্বাধীন অবস্থান ট্রাম্পের প্রত্যাশার সাথে সংঘাত সৃষ্টি করছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই বিবাদ ভবিষ্যতে ইউরোপীয় ও মার্কিন সম্পর্কেও প্রভাব ফেলতে পারে।