আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ
জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ২২ এপ্রিল তারিখ নির্ধারণ করেছে। গত বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে দুই সদস্যের বেঞ্চ এই তারিখ ঘোষণা করেন, তৃতীয় সাক্ষীর জেরা শেষ হওয়ার পর।

তৃতীয় সাক্ষীর জেরা ও বিতর্ক

প্রতিরক্ষা আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো তৃতীয় সাক্ষী মুন্নি আখতারের জেরা নেন এবং দাবি করেন যে তিনি ট্রাইব্যুনালের সামনে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মুন্নি আখতার তার সাক্ষ্যে বলেন, তার স্বামী নজরুল ইসলাম নিখোঁজ হওয়ার পর জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অভিযোগে নিহত হন। তার বক্তব্য ৮ এপ্রিল রেকর্ড করা হয়, এবং জেরা কাজ শুরু হওয়ার পর বৃহস্পতিবার তা সমাপ্ত হয়, আগে স্থগিত থাকার পর।

অভিযোগের বিবরণ

জিয়াউল আহসান এই মামলার একমাত্র আসামি হিসেবে কারাগার থেকে কারাভ্যানে করে ট্রাইব্যুনালে হাজির হন। গত ১৪ জানুয়ারি, ট্রাইব্যুনাল-১ তার বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করার নির্দেশ দেয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অভিযোগ অনুযায়ী, জিয়াউল আহসান ২০১১ সালের ১১ জুলাই রাতে গাজীপুর সদর থানার পূবাইলে সাজাল ও তিনজনকে হত্যার ঘটনায় জড়িত ছিলেন। আরেকটি অভিযোগ ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানি খালঘেঁষা এলাকায় বালেশ্বর নদীর কাছে নজরুল ইসলাম ও মল্লিকসহ প্রায় ৫০ জনকে হত্যার ঘটনা সম্পর্কিত। তৃতীয় অভিযোগেও প্রায় ৫০ জনকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আদালতের কার্যক্রম

প্রসিকিউশনের পক্ষে প্রধান প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন, যখন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, শেখ মাহদি ও অন্যান্যরা কার্যক্রমে অংশ নেন। এই মামলাটি আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কালে জোরপূর্বক গুম ও হত্যার অভিযোগের সাথে জড়িত মানবতাবিরোধী অপরাধের কেস হিসেবে পরিচিত।

ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তে আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার উপর জোর দেওয়া হয়েছে, এবং আইনগত পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আইন বিভাগের বিশেষজ্ঞরা এই মামলাটিকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, যা দেশের আইনি ইতিহাসে একটি মাইলফলক হতে পারে।