বাংলাদেশের আলু-আম রাশিয়ায় রপ্তানি ও কৃষি যান্ত্রিকীকরণে সহযোগিতার আলোচনা
বাংলাদেশ-রাশিয়া কৃষি সহযোগিতা: আলু-আম রপ্তানি ও যান্ত্রিকীকরণে আলোচনা

বাংলাদেশ-রাশিয়া কৃষি সহযোগিতা: আলু-আম রপ্তানি ও যান্ত্রিকীকরণে আলোচনা

বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে কৃষি খাতে সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্দার গ্রিগরিয়েভিচ খোজিনের সঙ্গে কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের বৈঠকে উভয় পক্ষ বিভিন্ন ইস্যুতে মতবিনিময় করেন।

বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধির আহ্বান

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্দার খোজিনের কাছে বাংলাদেশ থেকে রাশিয়ায় আলু, আম, শসা এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের আমদানি বাড়ানোর জোরালো আবেদন জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, রাশিয়া বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে প্রায় পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে কৃষি ও প্রযুক্তি খাতে সহায়তা দিয়ে আসছে।

মন্ত্রী বিশেষভাবে রাশিয়া থেকে আমদানিকৃত নন-ইউরিয়া সার, বিশেষ করে এমওপি সারের সরবরাহ অব্যাহত রাখার অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, "ভবিষ্যতেও এই সরবরাহ যেন স্বাভাবিক থাকে, সে বিষয়ে আমরা রাষ্ট্রদূতের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রাশিয়ার কৃষি যান্ত্রিকীকরণে আগ্রহ

রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্দার খোজিন বাংলাদেশের কৃষি খাতে তার দেশের সহযোগিতা প্রদানে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি জানান যে, রাশিয়া ইতিমধ্যে বাংলাদেশ থেকে নিয়মিতভাবে আলুসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য আমদানি করে থাকে। এছাড়াও, তিনি বাংলাদেশে সার ও বীজ সরবরাহের পাশাপাশি কৃষি যান্ত্রিকীকরণে রাশিয়ার আগ্রহের কথা উল্লেখ করেন।

কৃষিমন্ত্রী এ বিষয়ে রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, "কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ও প্রযুক্তি হস্তান্তরে রাশিয়ার সহযোগিতা বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বৈঠকের অন্যান্য বিষয়

বুধবার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এই সৌজন্য সাক্ষাতে কৃষি খাত, খাদ্যনিরাপত্তা, আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যসহ উভয় দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। শুরুতে কৃষিমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান এবং রাষ্ট্রদূত মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।

বৈঠকে কৃষিসচিব রফিকুল ই মোহামেদ, কৃষি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাশিয়ান দূতাবাসের প্রথম সচিব আনাস্তাসিয়া নেমোভা এবং কাউন্সেলর (কৃষি এটাচে) ভ্লাদিমির মোকালভ উপস্থিত ছিলেন। এই আলোচনা বাংলাদেশ-রাশিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।