চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ৩০০ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ, ৬ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ৩০০ কার্টন সিগারেট জব্দ, রাজস্ব ফাঁকি

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে কাস্টমসের অভিযানে ৩০০ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস গোয়েন্দা ও বিমানবন্দর কাস্টমসের যৌথ অভিযানে ওমান থেকে আসা এক যাত্রীর ব্যাগ থেকে ৩০০ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়েছে। আজ সোমবার সকালে এই অভিযান চালানো হয়, যা বিমানবন্দর নিরাপত্তা ও রাজস্ব সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।

যাত্রীর পরিচয় ও অভিযানের বিস্তারিত

কাস্টমস কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে ওমানের মাসকাট থেকে সালাম এয়ারের ফ্লাইটে আসা আতিকুর রহমান নামের এক যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাশি করা হয়। এই যাত্রীর বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে। তল্লাশি চালিয়ে তার ব্যাগ থেকে ৩০০ কার্টন মন্ড ব্র্যান্ডের সিগারেট উদ্ধার করা হয়। কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, এসব সিগারেটের মাধ্যমে তিনি প্রায় ছয় লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করেন, যা আমদানি নীতির স্পষ্ট লঙ্ঘন।

আমদানি নীতি ও ব্যাগেজ রুলের ব্যাখ্যা

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও কাস্টমস বিভাগের নিয়ম অনুসারে, একজন যাত্রী শুল্ক-কর ছাড়া সর্বোচ্চ এক কার্টন সিগারেট সঙ্গে আনতে পারেন। এর বেশি আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং এটি আমদানি নীতি আদেশের পরিপন্থী। এছাড়াও, সিগারেট একটি শর্তযুক্ত আমদানি পণ্য হিসেবে বিবেচিত হয়, যার জন্য প্যাকেটের গায়ে বাংলায় ‘ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর’ লেখা বাধ্যতামূলক। এই ঘটনায় যাত্রী উভয় নিয়মই ভঙ্গ করেছেন বলে কাস্টমস কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কাস্টমস কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও ব্যবস্থা

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানিয়েছেন, জব্দ করা সিগারেটের আনুমানিক রাজস্ব মূল্য ছয় লাখ টাকা। রাজস্ব পরিশোধ না করা পর্যন্ত এসব সিগারেট চট্টগ্রাম কাস্টমসের হেফাজতে রাখা হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, অভিযুক্ত যাত্রীকে মৌখিকভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, তবে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

এই ঘটনা বিমানবন্দর নিরাপত্তা ও রাজস্ব সংক্রান্ত সচেতনতা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাস্টমস বিভাগের পক্ষ থেকে যাত্রীদের নিয়মিতভাবে আমদানি নীতি ও ব্যাগেজ রুল সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।