শামারুহ মির্জার বাংলা নববর্ষে সম্প্রীতির আহ্বান: বৈসাবি উৎসবেও অভিনন্দন
শামারুহ মির্জার বাংলা নববর্ষে সম্প্রীতির আহ্বান

শামারুহ মির্জার বাংলা নববর্ষে সম্প্রীতির ডাক: বৈসাবি উৎসবেও অভিনন্দন

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের মধ্যে পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ একটি শ্রেষ্ঠতম উৎসব হিসেবে বিবেচিত। এবার এই মহামিলন মেলায় শামিল হওয়ার জন্য দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছেন এলজিআরডি মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জ্যেষ্ঠ কন্যা ড. শামারুহ মির্জা। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব 'বৈসাবি' উপলক্ষেও আন্তরিক অভিনন্দন জ্ঞাপন করেছেন।

ফেসবুক পোস্টে উৎসবের বার্তা

রোববার প্রকাশিত তার পোস্টে ড. শামারুহ মির্জা লিখেছেন, 'সবাইকে জানাই বাংলা নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা। বাংলা নববর্ষ ও চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী প্রধান সামাজিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বিষু, বৈসু, চাংক্রান ও চাংলান উপলক্ষে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠী বা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রত্যেককে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।' এই উক্তির মাধ্যমে তিনি জাতিগত সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

উৎসবের চিরন্তন রূপ ও আশাবাদ

উৎসবের প্রকৃতি বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করেন যে মানুষের বেশিরভাগ উৎসবই আনন্দকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, প্রতিকূল সময় পার করেও মানুষ যেন নিজ নিজ সাধ্য অনুযায়ী উৎসবে মেতে উঠতে পারে। পোস্টের শেষে তার সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন 'মেলায় যাবেন তো?' সাধারণ মানুষের সাথে সংযোগ স্থাপনের একটি নিবিড় প্রয়াস হিসেবে দেখা যায়, যা উৎসবের মর্মার্থকে আরও গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই আহ্বানটি ঠাকুরগাঁওসহ সারাদেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে, যা বিভেদ ভুলে মিলনের মহামিলন মেলায় অংশগ্রহণের প্রতি উৎসাহিত করে। ড. শামারুহ মির্জার এই পদক্ষেপ সামাজিক সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের দিকে একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, বিশেষ করে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তার পরিবারের ভূমিকা সত্ত্বেও উৎসবের সার্বজনীন চেতনাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।