ঢাকা বোট ক্লাবে শিশুদের জন্য সফল ঘুড়ি উৎসব সম্পন্ন
ঢাকা বোট ক্লাবের নির্বাহী কমিটির উদ্যোগে ২০২৫-২৬ সালের জন্য পরিকল্পিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠান হিসেবে ৩ দিনব্যাপী ঘুড়ি উৎসব সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই উৎসবে ক্লাবের সম্মানিত সদস্য ও তাদের পরিবারবর্গ, বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাসপূর্ণ অংশগ্রহণ লক্ষণীয় ছিল।
উৎসবের সময় ও স্থান
অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে ২১ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত এই ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। ২১ মার্চ ছিল ঈদের দিন, যা উৎসবের আমেজকে আরও বাড়িয়ে তোলে। ক্লাব সংলগ্ন খোলা মাঠে প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই আয়োজন চলে, যেখানে শিশুরা অবাধে ঘুড়ি উড়ানোর সুযোগ পায়।
প্রেসিডেন্টের বক্তব্য ও প্রতিশ্রুতি
ঘুড়ি উৎসব সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য ক্লাবের প্রেসিডেন্ট জনাব রুবেল আজিজ নির্বাহী কমিটি ও সকল সদস্যদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “বর্তমানে ঢাকা শহরের জায়গা ও মাঠের স্বল্পতার কারণে শিশু-কিশোরেরা আউটডোর খেলাধুলা ও বিনোদনের প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছে। ফলে তারা সুস্থ বিনোদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ঢাকা বোট ক্লাবের সদস্যদের জন্য নিয়মিত এ ধরনের উৎসব আয়োজন করে শিশু-কিশোরদের বিনোদনে সহায়ক ভূমিকা পালন করা হবে। পাশাপাশি, আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, যা ক্লাবের সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রতিফলন ঘটায়।
উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ
ঘুড়ি উৎসবে ক্লাবের প্রেসিডেন্ট ইনচার্জ জনাব নকিব সরকার অপুও সক্রিয়ভাবে উপস্থিত ছিলেন। নির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে যারা এই আয়োজনে অংশ নিয়ে সম্মানিত সদস্য ও শিশু-কিশোরদের উৎসাহ প্রদান করেন, তাদের তালিকা নিম্নরূপ:
- সৈয়দ আবু সোলাইমান (রানা)
- আব্দুস সবুর খান
- জেসমুল হুদা মেহেদী অপু
- খালেদা আক্তার জাহান
- আতিকুর রহমান
- মির্জা অনিক ইসলাম
- আসমা আজিজ
- আলীম আল কাজী তুহিন
- মনির হোসেন ইমন
এই সকল ব্যক্তির উপস্থিতি উৎসবের সাফল্য ও সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
উপসংহার
ঢাকা বোট ক্লাবের এই ঘুড়ি উৎসব শুধুমাত্র একটি বিনোদনমূলক আয়োজনই নয়, বরং এটি শহুরে শিশুদের জন্য আউটডোর কার্যক্রমের একটি প্রাণবন্ত উদাহরণ। ক্লাবের এই প্রচেষ্টা শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা যায়, বিশেষ করে যখন শহরে খোলা জায়গার অভাব একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।



