ভৈরব বন্ধুসভার ২০২তম পাঠের আসরে গঠনতন্ত্রের গভীর আলোচনা
ভৈরব বন্ধুসভা মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত মানুষের সম্মিলিত হওয়ার, নিজেদের গড়ে তোলার এবং মানবতার কল্যাণে কাজ করার একটি মঞ্চ হিসেবে পরিচিত। এই সংগঠনের ২০২তম পাঠের আসরে উঠে আসে এ কথাগুলো, যা সংগঠনের ভিত্তি ও লক্ষ্যকে স্পষ্ট করে তোলে।
পাঠচক্রের আয়োজন ও বিষয়বস্তু
১৪ মার্চ বেলা ১১টায় প্রথম আলো ভৈরব অফিসে অনুষ্ঠিত হয় এই পাঠচক্রের আসর। বিষয় ছিল 'বন্ধুসভার গঠনতন্ত্র', যা সংগঠনের পরিচালনা ও মূলনীতির উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। পাঠচক্রটি সঞ্চালনা করেন পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক মহিমা মেধা।
আলোচনায় অংশগ্রহণকারী ও মূল বক্তব্য
আলোচনায় অংশ নেন সাধারণ সম্পাদক আনাস খান, সভাপতি জান্নাতুল মিশু ও উপদেষ্টা সুমন মোল্লা। সুমন মোল্লা বলেন, 'পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র যেমন নিয়ম মেনে চলে, তেমনি সংগঠনও চলে গঠনতন্ত্র অনুসারে।' এই মন্তব্য সংগঠনের শৃঙ্খলা ও কাঠামোর গুরুত্বকে তুলে ধরে।
গঠনতন্ত্রের মূল বিষয়বস্তু
আলোচনায় উঠে আসে বন্ধুসভার গঠনতন্ত্রের মূল বিষয়বস্তু, যা নিম্নলিখিত দিকগুলো অন্তর্ভুক্ত করে:
- সংগঠনের পরিচয় ও মূলনীতি
- কাঠামো ও নিয়মশৃঙ্খলা
- কমিটির দায়িত্ব ও কর্তব্য
- বন্ধুদের করণীয় ও আচরণবিধি
দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়া, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস রাখা, গণতন্ত্র ও অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ ধারণ করাই বন্ধুসভার গঠনতন্ত্রের অন্যতম মূলনীতি। পাঁচটি অনুচ্ছেদে গঠিত এই গঠনতন্ত্র অত্যন্ত সুসংগত ও সহজবোধ্য, যা সদস্যদের জন্য একটি দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করে।
অন্যান্য উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ
পাঠচক্রে আরও উপস্থিত ছিলেন সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোশারফ রাব্বি, জেন্ডার ও সমতাবিষয়ক সম্পাদক সানজিদা ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক আফিফুল ইসলাম, বইমেলা সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি সম্পাদক স্নেহা আলম, বন্ধু অনুপম, হাবিবুল্লাহ, সামির, উদয় ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।
এই আয়োজন ভৈরব বন্ধুসভার কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়, যা সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে জ্ঞান বিনিময় ও সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরি করে।



