ঢাকার বায়ুদূষণ: শীর্ষ তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থান, বায়ুর মান 'খুব অস্বাস্থ্যকর'
ঢাকার বায়ুদূষণ: শীর্ষে দ্বিতীয়, মান 'খুব অস্বাস্থ্যকর'

ঢাকার বায়ুদূষণ: অব্যাহত সংকটে দ্বিতীয় স্থান দখল

রাজধানী ঢাকার বায়ুদূষণ যেন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। শহরটির বায়ুর মান ক্রমাগত খারাপের দিকে যাচ্ছে, এবং আন্তর্জাতিক তালিকায় শীর্ষ অবস্থান ধরে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে না। আজ বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, সকাল ৮টা ২০ মিনিটের দিকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান এয়ার ভিজুয়ালের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) অনুযায়ী, ঢাকার বায়ুর মান রেকর্ড করা হয়েছে ২৫২ স্কোর। এই স্কোরটি বায়ুদূষণের মাত্রাকে 'খুব অস্বাস্থ্যকর' শ্রেণিতে ফেলেছে, যা নগরবাসীর স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করছে।

বিশ্বব্যাপী বায়ুদূষণের শীর্ষ শহরগুলোর অবস্থান

একই সময়ে, বায়ুদূষণের শীর্ষ তালিকায় পাকিস্তানের লাহোর শহর প্রথম স্থান দখল করেছে, যার স্কোর ২৮৭। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সেনেগালের ডাকার, যার স্কোর ২৫১। এরপরের স্থানগুলোতে ভারতের দিল্লি, কলকাতা এবং আফগানিস্তানের কাবুল শহর রয়েছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার বায়ুদূষণের ব্যাপকতা তুলে ধরে।

নির্মল বায়ুর শহরগুলোর তালিকা

অন্যদিকে, বিশ্বের সবচেয়ে নির্মল বায়ুর শহর হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্যানফ্রান্সিসকো শীর্ষে রয়েছে, যার স্কোর মাত্র ছয়। এই তালিকায় পরবর্তী স্থানগুলো দখল করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পোর্টল্যান্ড, সিয়েটল এবং সল্ট লেক সিটি, যা উন্নত বায়ু মানের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার উদাহরণ হিসেবে কাজ করে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের শ্রেণিবিভাগ ও বৈশ্বিক প্রভাব

এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, বায়ুর মান শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে হলে তা ভালো, ৫১ থেকে ১০০ এর মধ্যে হলে মধ্যম মানের, ১০১ থেকে ১৫০ হলে সতর্কতামূলক, ১৫১ থেকে ২০০ হলে অস্বাস্থ্যকর, ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০১ এর বেশি হলে চরম অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। এই মাপকাঠিতে ঢাকার বর্তমান অবস্থান খুবই উদ্বেগজনক।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এছাড়াও, এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের তথ্য মতে, সারা বিশ্বে প্রতিবছর বায়ুদূষণ সংক্রান্ত সমস্যায় প্রায় ৭০ লাখ মানুষ প্রাণ হারান, যা এই পরিবেশগত সংকটের ভয়াবহতা আরও স্পষ্ট করে তোলে। ঢাকার মতো শহরগুলোতে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, জনস্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।