ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর, বিশ্বে অষ্টম স্থানে বাংলাদেশের রাজধানী
ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর, বিশ্বে অষ্টম স্থানে

ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর, বিশ্বে অষ্টম স্থানে বাংলাদেশের রাজধানী

বিশ্বজুড়ে বায়ুদূষণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, আর এই সমস্যার কবলে পড়েছে বাংলাদেশও। বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণ ওয়েবসাইট আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী ঢাকার বাতাস আজ 'অস্বাস্থ্যকর' অবস্থায় রয়েছে। ঢাকার বায়ুর মান সূচক স্কোর ১০৫ রেকর্ড করা হয়েছে, যা সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচিত।

বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ঢাকার অবস্থান

আইকিউএয়ারের সর্বশেষ তথ্যমতে, বায়ুদূষণের দিক থেকে বিশ্বে অষ্টম স্থানে রয়েছে ঢাকা। এই র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছে ভারতের দিল্লি, যার স্কোর ২২১। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর, স্কোর ২০৭। তৃতীয় স্থানে আছে নেপালের কাঠমান্ডু, স্কোর ১৭১।

অন্যান্য শহরগুলোর মধ্যে চতুর্থ স্থানে থাইল্যান্ডের চেংমাই, স্কোর ১৭০; পঞ্চম স্থানে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা, স্কোর ১৬৮; ষষ্ঠ স্থানে ভারতের কলকাতা, স্কোর ১০৭; এবং সপ্তম স্থানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, স্কোর ১০৬। ঢাকা এই তালিকায় অষ্টম স্থানে থেকে স্কোর ১০৫ নিয়ে অবস্থান করছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বায়ুর মান সূচকের শ্রেণীবিভাগ

আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুর মান সূচক স্কোরের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্তরে বিভক্ত করা হয়:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • ৫১ থেকে ১০০ স্কোর: মাঝারি বা গ্রহণযোগ্য মানের বায়ু।
  • ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর: সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর, যেখানে বয়স্ক, শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি ও অন্তঃসত্ত্বা নারীরা ঝুঁকিতে পড়েন।
  • ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর: অস্বাস্থ্যকর বাতাস, যা সাধারণ জনগণের জন্যও ক্ষতিকর।
  • ২০১ থেকে ৩০০ স্কোর: খুবই অস্বাস্থ্যকর বায়ু, স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি।
  • ৩০১ এবং তার উপরের স্কোর: দুর্যোগপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা, যা জরুরি পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে।

ঢাকার বর্তমান স্কোর ১০৫ হওয়ায়, এটি সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর স্তরে পড়ছে। যদিও এই স্কোর সময়ের সাথে পরিবর্তনশীল, বিশেষ করে বৃষ্টিপাতের মতো প্রাকৃতিক ঘটনাগুলো বায়ুর মান উন্নত করতে পারে।

বায়ুদূষণ একটি বিশ্বব্যাপী সমস্যা হিসেবে উল্লেখযোগ্য হয়ে উঠছে, এবং বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এর প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষণীয়। নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি এই সংকট মোকাবিলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।