ফ্যামিলি কার্ডের আর্থিক সহায়তা নগদে পাচ্ছেন নারী প্রধান পরিবার
ফ্যামিলি কার্ডের টাকা নগদে পাবেন নারী প্রধান পরিবার

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নগদে আর্থিক সহায়তা পাচ্ছেন নারী প্রধান পরিবার

সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় নারী প্রধান পরিবারগুলোকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করতে মোবাইল আর্থিক সেবা নগদের মাধ্যমে টাকা বিতরণ করা হচ্ছে। মঙ্গলবার সকালে কড়াইল বস্তি এলাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করেছে।

পরীক্ষামূলক পর্যায়ে ১৩ জেলায় সহায়তা বিতরণ

প্রাথমিকভাবে ১৩ জেলার সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পরীক্ষামূলক পর্যায়ে ইতিমধ্যে ৬,৪৫১টি পরিবার নগদের মাধ্যমে মোট এক কোটি ৬২ লাখ চার হাজার ২৬৫ টাকা আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন। সরকারের এই উদ্যোগটি নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভাতা প্রদান ও দুর্নীতি রোধ

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, "সরাসরি ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভাতা প্রদানের ফলে মাঝপথে অর্থ লোপাটের কোনো সুযোগ থাকবে না এবং প্রকৃত দুস্থরাই এই সুবিধা পাবেন।" এই কর্মসূচির আওতায় প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে, যা সরকারের নির্বাচনপূর্ব প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাস্তবায়িত হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নগদের অংশীদারিত্ব ও সরকারকে ধন্যবাদ

ফ্যামিলি কার্ডের মতো অগ্রাধিকার প্রকল্পের অর্থ বিতরণের জন্য নগদকে বেছে নেওয়ায় নগদ কর্তৃপক্ষ সরকার ও সরকার প্রধানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। নগদের মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন্স বিভাগের প্রধান মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, "সরকার ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে সাধারণ জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতি পূরণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে, যা আমাদের মুগ্ধ করেছে।"

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

যাচাই-বাছাই ও নারী প্রধান পরিবারের অগ্রাধিকার

প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে হতদরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির ৫১,৮০৫টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে নিবিড় যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে একই ব্যক্তির একাধিক সরকারি ভাতা গ্রহণ রোধ করা হয়েছে এবং সরকারি চাকরিজীবী বা পেনশনভোগীদের বাদ দেওয়া হয়েছে। কেবল নারী প্রধান পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যাতে সমাজের প্রান্তিক নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকার দরিদ্র পরিবারগুলোর আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং নারীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কড়াইল বস্তির মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় কর্মসূচির উদ্বোধন সাধারণ মানুষের কাছে আশার বার্তা বহন করে এসেছে।