ভাইয়ের সাথে ঝগড়ায় জর্জরিত সুহানার আবেগঘন চিঠি ও কিআর মজার উত্তর
মডেল: নুসরাত হিয়া। ছবি: কবির হোসেন।
প্রিয় কিআ, আমি ১০০ ভাগ কেন, ২০০ ভাগ নিশ্চিত যে তুমি আমার এই চিঠিটি ছাপাবে না। তবে আমার অভিযোগ সেটা নয়। বহুবার অভিযোগ করেছি, তুমি শোনো না, তাই আমি এখন কী করব বলো? যাই হোক, তুমি চিঠি ছাপাও আর না ছাপাও, তোমাকে চিঠি লিখতে আমার ভয়ংকর ভালো লাগে! আজ তোমার কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ, মানে এককথায় সমাধান চাই।
ঝগড়ার সমস্যা ও সমাধানের সন্ধান
আমার সমস্যাটি হলো, আমি আর আমার ছোট ভাই ছোটখাটো জিনিস নিয়ে প্রায় সব সময় ঝগড়া করি। দিনে দিনে সে যেন আমার শত্রু হয়ে উঠছে। এই অবস্থায় আমি কী করব, দয়া করে বলো? ওহ! এছাড়া, তোমাকে শহীদ দিবস ও স্বাধীনতা দিবসের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানাই। গত সংখ্যার ‘ঠিকানা নরহরিপুর’ গল্পটি ভীষণ রোমাঞ্চকর ছিল। প্লিজ আমার আদুরে কিআ, পরের সংখ্যায় রোমাঞ্চকর ও ভীতিকর গল্প দিয়ো। আশা করি, আমার এই আশা পূরণ করবে। আচ্ছা এবার ইতি টানি, বিদায় প্রিয় বন্ধু!
সুহানা ইসলাম সাওদা
চতুর্থ শ্রেণি, ধানমন্ডি কামরুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, ঢাকা
কিআর মজাদার ও চিন্তাপ্রদ উত্তর
কিআ: তুমি আর তোমার ছোট ভাই তো ছোটখাটো জিনিস নিয়ে সব সময় ঝগড়া করো, এক কাজ করে দেখবে নাকি? তোমরা এবার বড় বড় জিনিস নিয়ে ঝগড়া করে দেখো। এই ধরো টিভি, ফ্রিজ কিংবা সোফা। এতে কাজ হবে কি না জানি না, তবে টিভি বা ফ্রিজে যদি হাত পড়ে তোমাদের, তাহলে বোধ হয় ছোট–বড় সব ঝগড়াই বন্ধ করে দেবেন তোমাদের মা–বাবা। দেখো, যেটা ভালো মনে করো। তোমাকেও স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।
এই চিঠিপত্রটি শিশুদের দৈনন্দিন সমস্যা ও তাদের সরল মনস্তত্ত্বকে ফুটিয়ে তুলেছে, যা পাঠকদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। কিআর হাস্যরসাত্মক পরামর্শটি সমস্যার একটি আলাদা দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করে, যাতে বোঝা যায় ছোটখাটো বিষয় নিয়ে ঝগড়া বন্ধ করতে কখনো কখনো বড় সমাধানের প্রয়োজন হতে পারে।



