কবি নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’ প্রকাশিত হয়েছে। ঘাসফুল প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত এ গ্রন্থে স্থান পেয়েছে ৩৩৪টি সংক্ষিপ্ত অথচ ভাবগভীর কবিতা, যেগুলোকে কবি নিজেই নাম দিয়েছেন ‘ঝিনুককবিতা’।
গ্রন্থের ভূমিকা ও কবিতার ধারা
গ্রন্থের ভূমিকা ‘ঝিনুককবিতা’র তোরণ’-এ নকিব মুকশি জানান, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি এই ধরনের কবিতা লেখা শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ বিরতির পর ২০২৫ সালের জুলাইয়ে আবার লেখালেখি শুরু করেন। ছয় শতাধিক ঝিনুককবিতা থেকে বাছাই করে ৩৩৪টি কবিতা এ গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে।
ঝিনুক যেমন আকারে ছোট হলেও নিজের ভেতরে মুক্তা ধারণ করে, তেমনি ঝিনুককবিতাও সংক্ষিপ্ত হলেও গভীর ভাবনা ও অন্তর্দৃষ্টির বাহক। তিনি এই ধারাকে ‘অ্যাফোরিস্টিক পোয়েট্রি’ বা কখনো ‘এপিগ্রামিক পোয়েট্রি’র সঙ্গে সম্পর্কিত বলে উল্লেখ করেছেন। তাই বাংলায় এর নামকরণ করেছেন ‘ঝিনুককবিতা’।
ঝিনুককবিতা মূলত অ্যাফোরিজমের দার্শনিক ঘনত্ব এবং কবিতার নান্দনিক উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত এক স্বতন্ত্র কাব্যরীতি। এতে ভাষার সংহতি, প্রতীক, চিত্রকল্প, ধ্বনিমাধুর্য ও বহুস্তরীয় ব্যঞ্জনা একত্রে কাজ করে।
বাংলা সাহিত্যে নতুন ধারা
বাংলা সাহিত্যে অ্যাফোরিস্টিক কবিতা সচেতনভাবে চর্চার নজির খুব কম। সেই জায়গা থেকেই তিনি এ ধারার সংজ্ঞা নির্ধারণ ও নামকরণের চেষ্টা করেছেন। কবি বিশ্বাস করেন, ‘ঝিনুকধানী’ পাঠকের চিন্তা ও কাব্যবোধে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
প্রকাশনী: ঘাসফুল প্রকাশনী
প্রচ্ছদ: রাজীব দত্ত
মুদ্রিত মূল্য: ২৬৫ টাকা



