ঈদে সাভারে যানজট: ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে তিন কিলোমিটার গাড়ির ধীরগতি
ঈদে সাভারে যানজট: ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ধীরগতি

ঈদে সাভারে যানজট: যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়েছে

ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে সাভারে। একইসঙ্গে সড়ক ও মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। মানুষের চাপ ও গণপরিবহনের বাড়তি চাপে সৃষ্টি হয়েছে ধীরগতি ও যানজট। এতে মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক, নবীনগর-চন্দ্রা সড়ক ও আব্দুল্লাহপুর-আশুলিয়া-ডিইপিজেড সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে যানবাহনকে ধীরগতিতে চলতে দেখা গেছে।

সড়কে গাড়ির ধীরগতির চিত্র

সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের হেমায়েতপুর, উল্লাইল, গেন্ডা, সিঅ্যান্ডবি ও সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ডে সড়কে তিন কিলোমিটারজুড়ে গাড়ির ধীরগতি রয়েছে। এ ছাড়া নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের বাইপাইল, নবীনগর, ডিইপিজেড ও জিরানী সড়কে তিন কিলোমিটার এবং আব্দুল্লাহপুর-আশুলিয়া-ডিইপিজেড সড়কের জামগড়া, জিরাবোতে দুই কিলোমিটার সড়কে গাড়ির ধীরগতি দেখা যায়। এই অবস্থায় যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

যাত্রীদের বক্তব্য

রংপুরগামী সাভার পরিবহনের যাত্রী শফিউল আলম বলেন, ‘আমি সাভারের হেমায়েতপুর থেকে রংপুর যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছি। তবে আশুলিয়ার বাইপাইল পর্যন্ত আসতে প্রায় দেড় ঘণ্টা লেগেছে। রাস্তায় যানবাহনের চাপে ধীরগতিতে চলছে আমাদের বাসও। এতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ তার মতে, যানজটের কারণে যাত্রা সময় অনেক বেড়ে গেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সেলফি পরিবহন বাসের চালক নঈম বলেন, ‘সড়কের কিছু জায়গায় যানজট সৃষ্টি হওয়ায় থেকে থেমে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। গতকালের থেকে আজ যাত্রী ও গাড়ির চাপ বেড়েছে। তাই যানজট সৃষ্টি হয়েছে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ঈদের সময়ে এই ধরনের চাপ স্বাভাবিক হলেও এবার তা বেশি মনে হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের বক্তব্য

সাভার হাইওয়ে থানার ইনচার্জ শেখ শাজাহান বলেন, ‘আজ দুপুর থেকেই সড়কে যাত্রীর চাপ ও গাড়ি চাপ তুলনামূলক বেড়েছে। এজন্য যানজট দেখা দিয়েছে। যানজট নিরসনে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।’ তিনি জানান, পুলিশ সদস্যদের মোতায়েন করে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে।

ঈদের সময়ে সাভারে যানজট একটি নিয়মিত সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবারও যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।