ঈদযাত্রায় রেলওয়ের প্রস্তুতি: ৩ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে অগ্রিম টিকিট বিক্রি
ঈদযাত্রায় রেলওয়ের প্রস্তুতি: ৩ মার্চ থেকে টিকিট বিক্রি

ঈদযাত্রায় রেলওয়ের বিশেষ প্রস্তুতি: অনলাইনে শতভাগ টিকিট বিক্রি

ঈদুল ফিতরের ছুটিকে সামনে রেখে ঘরমুখো যাত্রীদের চাপ সামাল দিতে বাড়তি প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। রেল কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৩ মার্চ থেকে শুরু হবে ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রি। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে এবারও সব আসন শুধুমাত্র অনলাইনে ছাড়া হবে, যা একটি উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ধাপে ধাপে টিকিট বিক্রি ও ফিরতি যাত্রার সুবিধা

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, ঈদ উপলক্ষে আগাম টিকিট বিক্রি চলবে ধাপে ধাপে। ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে ২৩ মার্চ থেকে। এই ব্যবস্থার ফলে যাত্রীরা একসঙ্গে যাওয়া ও ফেরার পরিকল্পনা গুছিয়ে নিতে পারবেন, যা ভ্রমণ প্রস্তুতিকে আরও সহজ করে তুলবে।

পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের জন্য আলাদা সময়সূচি

রেলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পশ্চিমাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলের টিকিট আলাদা সময়সূচিতে ছাড়া হবে। পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলকারী আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট সকালে এবং পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট দুপুরে অনলাইনে পাওয়া যাবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে সার্ভারে চাপ কমবে এবং একযোগে লগইনের কারণে সৃষ্ট ভোগান্তি কিছুটা হ্রাস পাবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিশেষ ট্রেন চালানো ও আসন সংখ্যা বৃদ্ধি

ঈদে বাড়তি যাত্রী চাহিদা মেটাতে ৫ জোড়া মিলিয়ে মোট ২০টি বিশেষ ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। নিয়মিত আন্তঃনগর ট্রেনের পাশাপাশি এসব স্পেশাল ট্রেন যুক্ত হলে আসনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে, যা যাত্রীদের জন্য একটি ইতিবাচক খবর।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অনলাইনে শতভাগ টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত বহাল

প্রতি বছর ঈদের আগে ট্রেনের টিকিট নিয়ে তীব্র প্রতিযোগিতা দেখা যায়। অনলাইনে শতভাশ টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত বহাল রাখায় এবারও কাউন্টারভিত্তিক টিকিট বিক্রি থাকবে না। তাই যাত্রীদের নির্ধারিত সময়ের আগেই অনলাইনে প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এই ব্যবস্থা ডিজিটাল বাংলাদেশের লক্ষ্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ এবং যাত্রীদের সুবিধার্থে গৃহীত একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।