নেপালের পাহাড়ি এলাকায় বাস দুর্ঘটনায় ১৯ জনের মৃত্যু, ব্রিটিশ পর্যটকও নিহত
নেপালে বাস দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত, ব্রিটিশ পর্যটক আছেন

নেপালের পাহাড়ি এলাকায় মারাত্মক বাস দুর্ঘটনা: ১৯ জনের মৃত্যু, ব্রিটিশ পর্যটক নিহত

নেপালের পাহাড়ি এলাকায় একটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ১৯ জন যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন। এদের মধ্যে একজন ব্রিটিশ পর্যটকও রয়েছেন। স্থানীয় সময় সোমবার ভোরে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে, যখন একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পার্শ্ববর্তী বরফাচ্ছাদিত নদীতে পড়ে যায়।

দুর্ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ

বার্তা সংস্থা এএফপি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, পর্যটনকেন্দ্র পোখারা থেকে রাজধানী কাঠমান্ডু ফেরার পথে বাসটি ধাদিং জেলার ত্রিশুলি নদীতে প্রায় ৬৫৫ ফুট উচ্চতা থেকে নিচে পড়ে যায়। পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা প্রকাশ দাহাল জানিয়েছেন, বাসটিতে মোট ৪৪ জন আরোহী ছিলেন, যাদের মধ্যে ১৯ জন মারা গেছেন এবং ২৫ জন আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিহতদের তালিকায় একজন ব্রিটিশ নাগরিকের নাম উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও, দুর্ঘটনায় চীনের দুই নাগরিক এবং নিউজিল্যান্ডের একজন নাগরিক আহত হয়েছেন। তবে আহতদের বর্তমান স্বাস্থ্য অবস্থা ও বিস্তারিত তথ্য এখনও পুরোপুরি জানা যায়নি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের তথ্য কর্মকর্তা মোহন প্রসাদ নুপান জানান, উদ্ধারকাজ সূর্যোদয়ের আগেই সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আহতরা বর্তমানে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তাদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।’ স্থানীয় কর্তৃপক্ষ দ্রুততম সময়ে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আহতদের বের করে আনে।

নেপালে সড়ক দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি

এ ধরনের মারাত্মক দুর্ঘটনা নেপালে নতুন কোনো ঘটনা নয়। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে একই ত্রিশুলি নদীতে ভূমিধসের কারণে দুটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যায়, যেখানে উভয় বাসে ৫০-এর বেশি যাত্রী ছিলেন। নেপালের ভঙ্গুর পাহাড়ি সড়ক ব্যবস্থা, দুর্বল যানবাহন রক্ষণাবেক্ষণ এবং অনিয়ন্ত্রিত গতি এই ধরনের দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দেশটির পর্যটন শিল্পে এই ঘটনা একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা দিয়েছে, কেননা বিদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সড়ক নিরাপত্তা জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিলেও, বাস্তবায়ন এখনও চ্যালেঞ্জিং রয়ে গেছে।