মুফতি আবদুল মালেকের ঈদ বাণী: রমজানের সংযম ও তাকওয়া জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োগের আহ্বান
মুফতি আবদুল মালেক: রমজানের সংযম জীবনে প্রয়োগ করুন

মুফতি আবদুল মালেকের ঈদ বাণী: রমজানের সংযম ও তাকওয়া জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োগের আহ্বান

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক বলেছেন, রমজান মাসে আমরা সংযম ও তাকওয়া অর্জন করেছি। এই অর্জন থেকে শিক্ষা নিয়ে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সংযমের পরিচয় দিতে হবে। জীবনের সর্বত্র মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর আদর্শ অনুসরণ করতে হবে। শনিবার (২১ মার্চ) সকালে জাতীয় ঈদগাহে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজের আগে বিশেষ আলোচনায় তিনি এসব গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন।

আল্লাহর দরবারে হিসাবের অনুভূতি

মুফতি আবদুল মালেক বলেন, আল্লাহ মুসলিম উম্মাহকে যেন কবুল করেন। পবিত্র রমজানের রোজা রাখতে পেরেছি, তাই মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। তিনি উল্লেখ করেন, রমজানে তাকওয়ার প্রশিক্ষণ লাভ করা হয়েছে। আল্লাহর দরবারে দাঁড়িয়ে আমাদের হিসাব দিতে হবে এবং এই অনুভূতি নিয়ে কাজ করার নামই হলো তাকওয়া। রমজান মাসে আমরা সব ধরনের অন্যায় কাজ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করেছি।

রোজা ও তারাবির মাধ্যমে তাকওয়া অর্জন

তিনি আরও বলেন, রমজানে রোজা ও তারাবির নামাজের মাধ্যমে আমরা তাকওয়া অর্জন করেছি। এই পবিত্র মাসে আমরা সংযম পালন করেছি। তাই সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই সংযমের পরিচয় দিতে হবে। মুফতি আবদুল মালেক জোর দিয়ে বলেন, কোরআন আমাদের পথপ্রদর্শনকারী গ্রন্থ। তাই জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কোরআনকে অনুসরণ করতে হবে। কোরআন হেদায়েতগ্রন্থ হিসেবে হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর ওপর নাযিল হয়েছে এবং এটি সত্য ও মিথ্যার মধ্যে পার্থক্যকারী।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঈদুল ফিতর ও রাসূলের সুন্নাহ

তিনি আরও উল্লেখ করেন, রমজানে রোজার পর ঈদুল ফিতর হলো আল্লাহর বিশেষ শিক্ষা। এটি রাসূল (সা.) এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ। তাই সবাইকে জীবনের সব ক্ষেত্রে আমাদের রাসুল (সা.) এর আদর্শ অনুসরণ করতে হবে। মুফতি আবদুল মালেক বলেন, ঈদের আনন্দে কোনও শিরক নেই। তাই ঈদ সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব হিসেবে বিবেচিত হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঈদের নামাজে বিশিষ্ট ব্যক্তিরা

বায়তুল মোকাররমে এই ঈদের নামাজে আরও অংশগ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রধান বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিগণ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিকসহ হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি। এই সমাবেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের পাশাপাশি জাতীয় ঐক্যেরও প্রতিফলন ঘটে।