মাদ্রিদের বায়তুল মোকাররম মসজিদে রমজানে অপূর্ব ইফতার মিলনমেলা
মাদ্রিদ মসজিদে রমজানে ইফতারের অপূর্ব মিলনমেলা

মাদ্রিদের বায়তুল মোকাররম মসজিদে রমজানের অপূর্ব ইফতার আয়োজন

পবিত্র রমজান মাস এলেই প্রবাসে এক অনন্য আবহের সৃষ্টি হয়, যার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করে মাদ্রিদের বায়তুল মোকাররম জামে মসজিদ। প্রতিদিন সূর্যাস্তের আগে থেকেই মসজিদ প্রাঙ্গণে মুসল্লিদের ভিড় জমতে শুরু করে, কাতারে কাতারে বসে ইফতার করার দৃশ্য যেন এক অপূর্ব মিলনমেলার রূপ নেয়।

বহুসংস্কৃতির মিলনস্থল

ইফতার মাহফিলকে ঘিরে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ, যেখানে বিভিন্ন ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির মানুষ এক কাতারে বসে খেজুর ও পানির মাধ্যমে রোজা ভাঙেন। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মরক্কো, আফ্রিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা এখানে মিলিত হন এক অভিন্ন বিশ্বাসের বন্ধনে, যা প্রবাসে সম্প্রীতির এক জীবন্ত উদাহরণ তৈরি করে।

ইফতারের সমৃদ্ধ আয়োজন

ইফতারের প্লেটে থাকে খেজুর, নানা রকম ফল, মুরগির পিস, সিঙারা, সমুচা, দই, রুটি, পরোটা ইত্যাদি সুস্বাদু খাবার। প্রতিদিন ভিন্ন ভিন্নভাবে সাজানো হয় ইফতারের আয়োজন, যাতে রমজানের ৩০ দিনই ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন অংশগ্রহণ করে। দৈনিক প্রায় ৬৫০ থেকে ৭০০ মুসল্লি এই সম্মিলিত ইফতারে অংশ নেন, যা সম্প্রদায়ের ঐক্যকে শক্তিশালী করে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকা

ইফতার আয়োজনের দায়িত্ব পালন করেন ইসলামপ্রেমী একদল তরুণ স্বেচ্ছাসেবক, যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে এই অনুষ্ঠানকে সফল করে তোলেন। তাদের নিষ্ঠা ও পরিশ্রম ছাড়া এই বিশাল আয়োজন সম্ভব হতো না, এবং এটি প্রবাসে ধর্মীয় সম্প্রীতির একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।

এই ইফতার মাহফিল শুধু খাওয়া-দাওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একটি সামাজিক ও আধ্যাত্মিক বন্ধন তৈরির মাধ্যম, যেখানে দূর পরবাসে বসবাসকারী মানুষরা তাদের জীবনের গল্প, অভিজ্ঞতা ও সংস্কৃতি ভাগাভাগি করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ