ট্রাম্পের মন্তব্য: ইরানের বিরুদ্ধে স্থল অভিযান 'সময়ের অপচয়', তবে নেতৃত্ব নির্বাচনে মার্কিন ভূমিকা থাকবে
ট্রাম্প: ইরানের বিরুদ্ধে স্থল অভিযান সময়ের অপচয়, নেতৃত্বে ভূমিকা থাকবে

ইরানের বিরুদ্ধে স্থল অভিযানকে 'সময়ের অপচয়' বলে মন্তব্য ট্রাম্পের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের স্থল অভিযান চালানোকে 'সময়ের অপচয়' হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইরানের পরবর্তী নেতৃত্ব নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় ভূমিকা থাকবে। এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এসব কথা প্রকাশ করেন।

স্থল অভিযান নিয়ে ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য স্থল অভিযান নিয়ে ইরানের আশঙ্কার প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, 'এটি সময়ের অপচয়। তারা ইতোমধ্যে সব হারিয়েছে। তাদের নৌবাহিনী ধ্বংস হয়েছে; যা কিছু হারানো সম্ভব, তার সবই তারা হারিয়েছে।' তিনি আরও যোগ করেন যে, ইরান ইতিমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে, যা তাদের সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তিকে দুর্বল করে দিয়েছে।

ইরানের নতুন নেতা নির্বাচনে মার্কিন ভূমিকা

ইরানের নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে ট্রাম্প ওই সংবাদমাধ্যমকে বলেন, 'আমরা সেখানে গিয়ে সবকিছু নির্মূল করে দিতে চাই।' এক ফোনালাপে তিনি আরও উল্লেখ করেন, 'আমরা এমন কাউকে চাই না, যে আগামী ১০ বছর ধরে আবার সবকিছু পুনর্গঠন করবে।' এই মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে সরাসরি হস্তক্ষেপের পরিকল্পনা করতে পারে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

যুক্তরাষ্ট্রের পছন্দের তালিকা ও নিরাপত্তা প্রচেষ্টা

ইরানের পরবর্তী শাসক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের পছন্দের তালিকা নিয়ে ট্রাম্প নির্দিষ্ট কোনো নাম উল্লেখ না করলেও তিনি জানান, 'আমরা চাই তাদের একজন ভালো নেতা থাকুক। আমাদের নজরে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা এই কাজটি খুব ভালোভাবে করতে পারবেন বলে আমি মনে করি।' এছাড়াও, তিনি ইঙ্গিত দেন যে, ওই পছন্দের ব্যক্তিদের যুদ্ধে প্রাণ হারানো থেকে রক্ষা করার জন্য প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, 'হ্যাঁ, আমরা তাদের ওপর নজর রাখছি।'

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ট্রাম্পের এই বক্তব্য ইরান-মার্কিন সম্পর্কের জটিলতা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন আলোচনার সূত্রপাত করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।