বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন স্টিল মিল ও সিএনজি স্টেশন মালিকরা
বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন স্টিল মিল ও সিএনজি মালিক

বিদ্যুতের দাম ও সঞ্চালন চার্জ বাড়ানোর সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশের স্টিল মিল মালিক ও সিএনজি স্টেশন মালিকরা। তারা বলছেন, নতুন মূল্যহার শিল্প ও জ্বালানি খাতের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে এবং উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে।

স্টিল মিল মালিকদের উদ্বেগ

বাংলাদেশ স্টিল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসএমএ) এক বিবৃতিতে জানায়, বিদ্যুতের গড় দাম ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং সঞ্চালন চার্জ প্রায় ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ বৃদ্ধিতে উৎপাদন ব্যয় আরও বাড়বে। ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদ, টাকার অবমূল্যায়ন, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও নির্মাণ খাতের মন্দার মধ্যে নতুন মূল্যহার শিল্পখাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।

বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট

বর্তমানে দেশের শিল্পখাত নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। ব্যাংক ঋণের সুদহার বাড়তি, টাকার মান কমছে, জ্বালানির দাম বেড়েছে এবং নির্মাণ খাত মন্দার মধ্যে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যুতের দাম ও সঞ্চালন চার্জ বাড়ানো শিল্পের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে বলে মনে করেন বিএসএমএ।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সিএনজি স্টেশন মালিকদের দাবি

বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ফারহান নূর বলেন, গত কয়েক বছরে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির কারণে প্রতি ঘনমিটার সিএনজি উৎপাদনে অতিরিক্ত ১ টাকা ৬০ পয়সা ব্যয় বেড়েছে। নতুন করে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোয় বর্তমান ৮ টাকার কমিশনের বড় অংশই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে চলে যাবে। তাই কমিশন কমপক্ষে ৬ টাকা বাড়ানোর দাবি জানান তিনি।

কমিশন সমন্বয়ের অভাব

সংগঠনটির দাবি, ২০১৫ সালের পর একাধিকবার বিদ্যুতের দাম বাড়লেও সিএনজি স্টেশন মালিকদের কমিশন সমন্বয় করা হয়নি। ফলে বাড়তি পরিচালন ব্যয়ের কারণে অনেক স্টেশন লোকসানে পরিচালিত হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ