ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হত্যা: প্রধান আসামি কর্মচারী গ্রেপ্তার, আইসিইউতে চিকিৎসাধীন
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হত্যা: প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হত্যাকাণ্ড: প্রধান আসামি কর্মচারী গ্রেপ্তার, আইসিইউতে চিকিৎসাধীন

কুষ্টিয়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা (৩৫) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান আসামি কর্মচারী খন্দকার ফজলুর রহমানকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। আজ শুক্রবার সকালে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ফজলুর রহমান গুরুতর আহত অবস্থায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পুলিশের বক্তব্য ও অভিযান

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হাসপাতালে তাঁকে (ফজলুর রহমান) পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। ফজলুর রহমানের আহত ও চিকিৎসার বিষয়টি লিখিতভাবে আদালতকে জানানো হয়েছে। অন্য আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ও পরবর্তী অবস্থা

গত বুধবার বিকেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ দপ্তরে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে আসমা সাদিয়া রুনা নিহত হন। একই সময় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানকে (৩৫) ওই কক্ষ থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সেদিন থেকেই তাঁকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার আসমা সাদিয়ার লাশ কুষ্টিয়া পৌর কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার বিস্তারিত ও অভিযোগ

বুধবার দিবাগত গভীর রাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় আসমার স্বামী মুহা. ইমতিয়াজ সুলতান বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। এজাহারে তিনি অভিযোগ করেন, বিভাগের দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তার দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ও নির্দেশে কর্মচারী খন্দকার ফজলুর রহমান আসমা সাদিয়াকে হত্যা করেন। মামলায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদেরও আসামি করা রয়েছে, তবে সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • ২ নম্বর আসামি: বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, উম্মুল মোমেনিন আয়েশা সিদ্দিকা হলের সহকারী রেজিস্ট্রার। কিছুদিন আগে সমাজকল্যাণ বিভাগ থেকে তাঁকে সেখানে বদলি করা হয়।
  • ৩ নম্বর আসামি: শ্যাম সুন্দর সরকার, সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক, যিনি আগে আসমা সাদিয়ার বিভাগের সভাপতি ছিলেন।
  • ৪ নম্বর আসামি: হাবিবুর রহমান, সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।

পুলিশের তদন্ত ও গ্রেপ্তার কার্যক্রম চলমান রয়েছে, এবং এই ঘটনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।