রাজধানীর ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের সরকারি লাইসেন্স প্রদানের ঘোষণা ডিএসসিসি প্রশাসকের
ফুটপাত ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স দেবে সরকার: ডিএসসিসি প্রশাসক

রাজধানীর ফুটপাত ব্যবসায়ীদের সরকারি লাইসেন্স প্রদানের ঘোষণা

দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম ঘোষণা দিয়েছেন যে, রাজধানীর ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরি করে সরকারি লাইসেন্স প্রদান করা হবে। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো সড়কের ফুটপাতগুলোর ব্যবহার যেন অনুপযোগী হয়ে না পড়ে এবং আইনি কাঠামোর মধ্যে ব্যবসা পরিচালনা নিশ্চিত করা।

পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন ও গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত করে নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি শীর্ষক একটি পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই ঘোষণা দেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ঢাকা মহানগরীর নাগরিকরা তখনই সব সুবিধা পাবেন যখন জনগণ এবং সিটি করপোরেশন সমানভাবে কাজ করবে

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, যেকোনো ধরনের ব্যবসা পরিচালনার জন্য সিটি করপোরেশনের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক হবে, এমনকি ফুটপাতে ব্যবসা করলেও তা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই করতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে অপরিকল্পিত দখলদারিত্ব রোধ এবং শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নাগরিক সহযোগিতা ও পরিবেশ সংরক্ষণের আহ্বান

ঢামেকের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত করা হলেও, এটি টিকিয়ে রাখতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানান আবদুস সালাম। তিনি বলেন, অল্প জায়গায় অধিক দোকান যাতে বসতে না পারে, সেজন্য হকারদের জন্য নির্দিষ্ট গাইডলাইন দেওয়া হবে। এক সপ্তাহের মধ্যে পুলিশ জরিপ করে শৃঙ্খলা আনার বিষয়ে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ডিএসসিসি প্রশাসক নাগরিকদের প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ শপথ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, রাজপথে কেউ কিছু ফেলবে না—এই প্রতিজ্ঞা প্রতিটি নাগরিককে নিতে হবে, তাহলেই ঢাকা শহরকে পরিষ্কার রাখা সম্ভব। তিনি আরও যোগ করেন, রাষ্ট্রের মুখমণ্ডল হিসেবে ঢাকাকে পরিষ্কার রাখা জরুরি এবং চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গুর মতো রোগের প্রাদুর্ভাব রোধে সবার নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখতে হবে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সামগ্রিক প্রভাব

এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকার ফুটপাত ব্যবসায়ীদের একটি কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থার আওতায় আনতে চাইছে, যা শহরের পরিবেশ উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুশৃঙ্খল পরিচালনায় সহায়ক হবে। ডিএসসিসি প্রশাসকের এই ঘোষণা রাজধানীর নগর পরিকল্পনা ও ব্যবসায়িক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার দিকে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।