বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচন: ইসির কঠোর নির্দেশনা
বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচন: ইসির নির্দেশ

বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচন: ইসির কঠোর নির্দেশনা

বগুড়া-৬ এবং শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচন আগামী ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে।

কর্মকর্তাদের জন্য বিশেষ নির্দেশ

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের সহকারী সচিব মোহাম্মদ শহীদুর রহমান সই করা এক আদেশে বলা হয়েছে, নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত কোনও কর্মকর্তা বা কর্মচারী বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না। বিশেষ প্রয়োজনে কর্মস্থল ত্যাগের ক্ষেত্রে অবশ্যই যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি গ্রহণ করতে হবে।

এই নির্দেশনার আওতায় সচিবালয়ের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিস, সরকারী পরিবহন পুলের গাড়ি চালক এবং দৈনিক ভিত্তিতে নিয়োজিত কর্মীরাও থাকবেন। এছাড়া, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সাংগঠনিক কাঠামোর বাইরে থাকা নিরাপত্তা ও প্রটোকল কাজে নিয়োজিত বাহিনীগুলোকেও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নিরাপত্তা বাহিনীর দায়িত্ব

ইসির নিরাপত্তা ও প্রটোকলে নিয়োজিত দেহরক্ষী, গানম্যান, পুলিশ ও আনসার সদস্যদের তফসিল ঘোষণার দিন থেকে ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত সার্বক্ষণিক স্ব-স্ব দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে। এই পদক্ষেপ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গৃহীত হয়েছে।

নির্বাচনের পটভূমি

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২৯৯টি আসনে নির্বাচন হয়েছিল। নির্বাচনের আগে শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা যাওয়ায় নির্বাচন স্থগিত করা হয়। সে সময় ইসি থেকে জানানো হয়, আসনটির নির্বাচনের জন্য নতুন তফসিল ঘোষণা করবে ইসি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অন্যদিকে, নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এর মধ্যে তিনি বগুড়া-৬ আসনের ছেড়ে দিয়ে ঢাকা-১৭ আসনের শপথ গ্রহণ করেন। এরপর আসনটি শূণ্য ঘোষণা করে ইসি। সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের কোনও আসন শূন্য ঘোষণা হলে তার নব্বই দিনের মধ্যে উপ-নির্বাচন করতে হয়। সে পরিপ্রেক্ষিতেই গতকাল এ দুটি আসনের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে ইসি।

এই উপনির্বাচনটি রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ এটি জাতীয় সংসদের শূন্য আসন পূরণের একটি সময়োচিত পদক্ষেপ। ইসির এই কঠোর নির্দেশনা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।