সাবেক উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পরিচালনায় একটি ‘কিচেন কেবিনেট’ সক্রিয় ছিল। প্রতি মঙ্গলবার যমুনাতে এই কেবিনেটের বৈঠক হতো। যমুনা টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
কিচেন কেবিনেটের বৈঠক
তৌহিদ হোসেন বলেন, কোনো এক উপলক্ষ্যে তাকে যমুনাতে ‘কিচেন কেবিনেটের’ মিটিংয়ে যেতে হয়েছিল। পরে তিনি জানতে পারেন, প্রতি মঙ্গলবার তারা বসেন এবং সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, ‘এ রকম একটা গ্রুপ আছে যারা নিয়মিত বসে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য।’
আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ
তিনি আরও বলেন, আগামী নির্বাচনেই আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারে। তিনি মনে করেন, আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে পুরোপুরি আউট হয়ে যাবে না। মানুষের স্মৃতিশক্তি খুব দীর্ঘ নয়, তাই তারা ফিরে আসবে এবং আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।
পদত্যাগের সিদ্ধান্ত
তৌহিদ হোসেন জানান, তিনি তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, কিন্তু তাকে বলা হয় যে তা অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করবে।
ডিপস্টেট প্রসঙ্গ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ডিপস্টেট সক্রিয় ছিল কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ডিপস্টেট পৃথিবীর প্রতিটি ঘটনার সঙ্গেই জড়িত থাকে, তবে তারা স্রোতের বিপরীতে যায় না। পরে তারা সেটা ম্যানিপুলেট করে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি
ভোটের তিন দিন আগে অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে বাণিজ্য চুক্তি করে, সে বিষয়ে তৌহিদ হোসেন বলেন, এতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা পররাষ্ট্রমন্ত্রী জড়িত ছিল না। জড়িত ছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। তিনি বলেন, কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকলে চুক্তি সইয়ের বিষয়টি নির্বাচিত সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত ছিল।
শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়া
শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে দিল্লিকে চিঠি লেখা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারা এর উত্তর আশা করেননি। তিনি মনে করেন, চিঠি লেখা হলেও তা কাজে আসবে না।



