মোহাম্মদপুরে এডিজির দুই মোবাইল উদ্ধার, দুই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার
এডিজির মোবাইল উদ্ধার, দুই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

মোহাম্মদপুরে এডিজির মোবাইল ছিনতাই: দুই আইফোন উদ্ধার, দুই সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (এডিজি) একজন মহাপরিচালকের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া দুটি মোবাইল ফোন পুলিশ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় দুই সন্দেহভাজন ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ছিনতাইয়ের শিকার এডিজি মো. মোতাহার হোসেন

ছিনতাইয়ের শিকার ব্যক্তি হলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক (তদন্ত ও অনুসন্ধান-২) মো. মোতাহার হোসেন। স্থানীয় সময় শনিবার রাত ১০:৩০টার দিকে মোহাম্মদপুরের রেসিডেন্সিয়াল কলেজ সংলগ্ন শহীদ ফারহান ফাইয়াজ স্কয়ার (নানক স্কয়ার) দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় একদল ছিনতাইকারী তাকে ঘিরে ধরে।

স্থানীয়ভাবে তৈরি ধারালো অস্ত্র দিয়ে তারা তাকে জিম্মি করে এবং মারধর শুরু করে। এরপর তারা তার কাছ থেকে দুটি আইফোন, ১৫,০০০ টাকা নগদ এবং একটি হাতঘড়ি ছিনিয়ে নেয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের অভিযান ও গ্রেপ্তার

মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ রবিবার রাত ১১:৩০টার দিকে একটি অভিযান চালায়। এই অভিযানে তারা দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করে এবং ছিনতাই হওয়া দুটি আইফোন উদ্ধার করে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন শাহজাদা এবং রুবেল, যিনি বক্সার নামেও পরিচিত। পুলিশ দাবি করেছে যে উভয়ই একটি ছিনতাই চক্রের সদস্য।

উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনের বিবরণ

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, উদ্ধারকৃত ফোন দুটি হল একটি আইফোন ৬ প্লাস এবং একটি আইফোন ১২ প্রো ম্যাক্স, যা এডিজি মোতাহার হোসেনের মালিকানাধীন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ছিনতাই চক্রের কার্যক্রম

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত সন্দেহভাজনরা একটি সংগঠিত ছিনতাই চক্রের সাথে যুক্ত। তারা প্রায়ই অন্ধকার ও নির্জন এলাকায় অপেক্ষা করে এবং একাকী পথচারীদের লক্ষ্যবস্তু বানায়।

এই ঘটনা রাজধানীতে ছিনতাই ও সন্ত্রাসের মাত্রা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিয়ে।

পুলিশ এখন গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে আরও তথ্য সংগ্রহ করছে এবং চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছে। এছাড়াও, ভুক্তভোগী এডিজি মোতাহার হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।