সাবেক সচিব ও বিডা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৪০ কোটি টাকা মানিলন্ডারিং মামলা
সাবেক সচিবের বিরুদ্ধে ৪০ কোটি টাকা মানিলন্ডারিং মামলা

সাবেক সচিব ও বিডা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৪০ কোটি টাকা মানিলন্ডারিং মামলা

সাবেক সচিব ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) সাবেক নির্বাহী সদস্য মো. খায়রুল ইসলাম মান্নান, তার স্ত্রী ইসরাত জাহান এবং ছেলে মোরসালিন ইসলাম সৌরদ্বীপের বিরুদ্ধে ৪০ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাজধানীর গুলশান থানায় এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

মামলার বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিআইডি

শুক্রবার (৬ মার্চ) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান মামলার বিষয়ে তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, অভিযুক্তরা খায়রুল ইসলামের স্ত্রী ইসরাত জাহান মিমের নামে ‘মেঘমালা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড’ এবং তার ছেলে মোরসালিন ইসলাম সৌরদ্বীপের নামে ‘মেঘমালা এস্টেট লিমিটেড’ নামে দুটি কাগুজে বা নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান খুলেছেন।

অভিযোগ রয়েছে, প্রতারণা ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে ২০১২ সালে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসির গুলশান শাখা থেকে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নামে ২০ কোটি টাকা করে মোট ৪০ কোটি টাকা ঋণ গ্রহণ করা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অর্থের উৎস আড়ালে জটিল লেনদেন

সিআইডির অনুসন্ধানে জানা গেছে, ঋণের অর্থের প্রকৃত উৎস আড়াল করতে তা বিভিন্ন হিসাবে স্থানান্তর ও লেয়ারিং করা হয়েছে। ভুয়া প্রতিষ্ঠান খুলে নেওয়া ওই ঋণের অর্থ প্রথমে মোরসালিন ইসলাম সৌরদ্বীপের ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ধানমন্ডি শাখার হিসাবে জমা করা হয়। পরে সেখান থেকে ৪০ কোটি টাকা ডেবিট করে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসির বনশ্রী শাখায় ‘ইউনিয়ন ব্যাংক (প্রস্তাবিত)’ নামে একটি হিসাবে স্থানান্তর করা হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সিআইডি আরও জানায়, এই ঋণের অর্থে মোরসালিন ইসলাম সৌরদ্বীপ ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসির প্রতিষ্ঠালগ্নে স্পন্সর শেয়ার কেনেন। এভাবে আসামিরা ঋণের ৪০ কোটি টাকা পরিশোধ না করে প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাৎ করেছেন এবং অপরাধলব্ধ অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং করেছেন।

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা ও তদন্ত

এই ঘটনায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়েছে। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত পরিচালনা করছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট। তদন্তের মাধ্যমে আরও বিস্তারিত তথ্য ও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।