দুদক চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদত্যাগপত্র সরকার গ্রহণ করেছে
দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনারের পদত্যাগপত্র গ্রহণ

দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদত্যাগপত্র সরকারের গ্রহণ

দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাফিজ আহসান ফরিদের পদত্যাগপত্র সরকার গ্রহণ করেছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে একটি গেজেট জারি করা হয়েছে, যেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন অনুযায়ী তাদের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতি গ্রহণ করেছেন।

গেজেটে প্রকাশিত সরকারি ঘোষণা

সরকারি গেজেটে বলা হয়েছে, পদত্যাগপত্র গ্রহণের পাশাপাশি তাদের জন্য এক মাসের ছুটিকালীন বেতন মঞ্জুর করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়েছে এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাধ্যমে তা প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মোহাম্মদ আবদুল মোমেন।

চেয়ারম্যানের বক্তব্য ও পদত্যাগের প্রক্রিয়া

মোহাম্মদ আবদুল মোমেন সাংবাদিকদের জানান, 'আমরা তিনজন আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছি। পদত্যাগপত্র মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।' তিনি আরও উল্লেখ করেন যে এই পদত্যাগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ আইনানুগভাবে সম্পন্ন হয়েছে। মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বর্তমান কমিশনকে নিয়োগ দিয়েছিল।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দায়িত্ব পালনের সময়কাল ও পদত্যাগের সময়

দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় ১৫ মাস পর তারা একযোগে পদত্যাগ করেছেন। এই সময়কালে দুর্নীতি দমন কমিশন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কাজ করেছে, তবে পদত্যাগের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে সরকারি গেজেটে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। পদত্যাগপত্র গ্রহণের মাধ্যমে এই কমিশনের বর্তমান গঠনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর নতুন কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। দুর্নীতি দমন কমিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশে দুর্নীতি বিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে, এবং এই পদত্যাগের পর এর ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।