দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ও দু’জন কমিশনারের পদত্যাগ
দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের পদত্যাগ

দুর্নীতি দমন কমিশনের (এসিসি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দু’জন কমিশনার তাদের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। পদত্যাগকারী কমিশনাররা হলেন মিয়া মুহাম্মদ আলী আকবর আজিজি এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ।

কমিশনারের বক্তব্য

কমিশনার মিয়া মুহাম্মদ আলী আকবর আজিজি মঙ্গলবার বিকালে সাংবাদিকদের জানান যে, তিনি চেয়ারম্যান ও অন্য কমিশনারের সাথে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি চেয়ারম্যান ও অন্য কমিশনারের সাথে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি।”

চেয়ারম্যানের মন্তব্য

পদত্যাগের কারণ জানতে চাইলে চেয়ারম্যান আবদুল মোমেন মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, “এখানে নয়, অফিসে যান।” তিনি সরাসরি কোনো ব্যাখ্যা দেননি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সচিবালয়ে পদত্যাগপত্র জমা

এর আগে, চেয়ারম্যান ও কমিশনাররা মঙ্গলবার সচিবালয়ে আসেন। তারা দুপুর ২টা ৩৬ মিনিটে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ভবন নম্বর ১-এ প্রবেশ করে তাদের পদত্যাগপত্র জমা দেন। এই ঘটনা সচিবালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নজর কেড়েছে।

নিয়োগ ও মেয়াদ

রাষ্ট্রপতি গত ১০ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ও দু’জন কমিশনার নিয়োগ দেন। তাদের নিয়োগ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী করা হয়েছিল।

এই আইন অনুসারে, দুর্নীতি দমন কমিশন তিনজন কমিশনার নিয়ে গঠিত হয়, যাদের মধ্যে একজন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একজন কমিশনারের মেয়াদ পাঁচ বছর স্থায়ী হয়। এই পদত্যাগের ফলে কমিশনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আইনগত প্রক্রিয়া

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা অনুযায়ী, কমিশনারদের নিয়োগ ও পদত্যাগ একটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে। চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর, রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে নতুন নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই পদত্যাগের প্রেক্ষাপটে, দুর্নীতি দমন কমিশনের চলমান তদন্ত ও মামলাগুলোর উপর কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা চলছে। কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ না করা পর্যন্ত তারা দায়িত্ব পালন করতে পারেন।