আশুলিয়ায় ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, তিনজন আহত
আশুলিয়ায় ঝুট ব্যবসা নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ

আশুলিয়ায় ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ

ঢাকার আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় দি রোজ ড্রেসেস লিমিটেড কারখানার সামনে এ সংঘর্ষ সংঘটিত হয়। এতে অন্তত তিনজন আহত হন এবং ৬ থেকে ৭টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।

সংঘর্ষের পটভূমি ও ঘটনার বিবরণ

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আশুলিয়া থানা তাঁতি দলের সহ-সভাপতি বকুল ভুঁইয়া এবং ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান রনির অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ চলছিল। সংঘর্ষের আগে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এলাকায় অবস্থান নেন এবং একপর্যায়ে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, গত ৫ আগস্টের আগে কারখানাটির ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহ্বায়ক কবির হোসেন সরকার। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিববর্তনের পর ওই ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নেন সাবেক ছাত্রদল নেতা মোস্তাফিজুর রহমান রনি। ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের পর স্থানীয় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চরমে পৌঁছে এবং তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের হস্তক্ষেপ ও বর্তমান অবস্থা

খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুবেল হাওলাদার বলেন, "দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।"

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এই সংঘর্ষ আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে চলমান দ্বন্দ্বের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং পুলিশের দ্রুত হস্তক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।