মাগুরার শ্রীপুরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৬ জন আহত, ১০ আটক
মাগুরার শ্রীপুরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ৬ আহত

মাগুরার শ্রীপুরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ: ৬ আহত, ১০ আটক

মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ কমপক্ষে ৬ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় কমপক্ষে ২০টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১০ জনকে আটক করেছে।

ঘটনার বিবরণ

রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে শ্রীপুর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের চাকদাহ গ্রামের নতুন পাড়া এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গয়েশপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি পাঞ্জাব আলী ও একই ওয়ার্ড বিএনপির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ওহাব মণ্ডলের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।

রবিবার সন্ধ্যায় পাঞ্জাব আলীর সমর্থক রকি স্থানীয় বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ওহাব মণ্ডলের সমর্থকদের হামলার শিকার হন। তাকে মারধরের ঘটনার জেরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে উভয়পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভাঙচুর ও লুটপাট

সংঘর্ষের সময় উভয়পক্ষের কমপক্ষে ২০টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। পাশাপাশি দুটি লাটা গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। আহতদের মধ্যে নারীদের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং নিরাপত্তার জন্য পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

পুলিশের তৎপরতা

পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে উভয়পক্ষের ১০ জনকে আটক করা হয়। আটকদের সোমবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে। শ্রীপুর থানার ওসি (তদন্ত) আতোয়ার রহমান বলেন, "সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।"

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রাজনৈতিক অভিযোগ

এ ঘটনায় উভয়পক্ষের স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেন। পাঞ্জাব আলীর সমর্থকরা দাবি করেন যে ওহাব মণ্ডলের গ্রুপ ইচ্ছাকৃতভাবে হামলা চালিয়েছে, অন্যদিকে ওহাব মণ্ডলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে পাঞ্জাব আলীর সমর্থকরা এলাকায় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ বর্তমানে ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে এবং আরও গ্রেপ্তারের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।