কটিয়াদীতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ৫
কটিয়াদীতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ৫

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় বিএনপি ও যুবদলের সমর্থকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেলে উপজেলার বনগ্রাম বাজার ও আশপাশের এলাকায় এই সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

সংঘর্ষের সূত্রপাত

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাতীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন সহশ্রাম ধুলাদিয়া ইউনিয়নে একটি সমাবেশ শেষে বনগ্রাম বাজারে আসার কথা ছিল। তবে তিনি বনগ্রামে না এসে কর্মসূচি শেষ করে অন্যত্র চলে যান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বনগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুঞ্জুরুল হক পিন্টু এবং ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আনোয়ার হোসেনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

ধাওয়া-পালটা ও সংঘর্ষ

কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ও ইটপাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উভয় পক্ষই একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে এবং দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অভিযোগ ও প্রতিক্রিয়া

এ বিষয়ে আনোয়ার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, সংসদ সদস্যের সামনে মুঞ্জুরুল হক পিন্টু ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নং ওয়ার্ড সদস্য মো. নজরুল ইসলামকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। তিনি জানান, এ ঘটনার প্রতিবাদ জানালে পরে এমপি চলে যাওয়ার পর পিন্টুর নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তিনি নিজে সহ বেশ কয়েকজন আহত হন।

অন্যদিকে, মুঞ্জুরুল হক পিন্টুর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। বনগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরুল আমিন মাসুদ বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। বিষয়টি যাতে আরও বিস্তৃত না হয়, সেজন্য তিনি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের বক্তব্য

কটিয়াদী মডেল থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, বিএনপি ও যুবদলের দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় শান্তি বিরাজ করছে বলে তিনি জানান।