চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের মানববন্ধন, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি
চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের মানববন্ধন

চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতা-কর্মীদের মানববন্ধন

চট্টগ্রাম নগরের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা মানববন্ধন করেছেন। আজ বুধবার সকাল সাড়ে সাতটা থেকে আটটার দিকে কোতোয়ালি এলাকার কোর্ট হিলে অবস্থিত জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রাঙ্গণে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ভোরে সরকারি অফিসের কার্যক্রম শুরুর আগেই নেতা-কর্মীরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে সমবেত হন।

সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়া

মানববন্ধনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। ফেসবুকে এই ভিডিও শেয়ার করেছেন নগর ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম সামদানি জনি, যিনি বর্তমানে নিজেকে যুবলীগ নেতা হিসেবে পরিচয় দেন। তাঁর ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করা ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিলের নির্দেশনায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে এই মানববন্ধন আয়োজিত হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জোরালো দাবি জানান। ব্যানারে নগর ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম সামদানির নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল। চট্টগ্রাম কোর্ট হিল এলাকায় জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, আদালত, আইনজীবীদের চেম্বারসহ বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা অবস্থিত হওয়ায় এই মানববন্ধন বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের তদন্ত ও প্রতিক্রিয়া

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আফতাব উদ্দিন জানিয়েছেন, ঘটনাটি আজকের কি না তা যাচাই করা হচ্ছে এবং পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, 'আমরা তদন্ত করে দেখছি।' পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মানববন্ধনের সঠিক সময় ও তারিখ নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা চলছে, যদিও গোলাম সামদানি দাবি করেছেন যে এটি আজ সকালেই অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই ঘটনা চট্টগ্রামে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে, বিশেষ করে সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও ছবিগুলো ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে এই ধরনের কর্মসূচি ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে।