প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিটি স্তরের মানুষ নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে ধীরে ধীরে ‘কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’ গঠন সম্ভব। বৃহস্পতিবার ঢাকা সেনানিবাসের জিয়া কলোনিতে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী পঁচিশ’ আয়োজিত পুনর্মিলনী ও সাম্মানিক ভোজসভায় তিনি এ কথা বলেন।
কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশকে আরও ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে চাই। আমাদের সবার নির্দিষ্ট দায়িত্ব রয়েছে, এবং আমরা যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করি, তাহলে ইনশাআল্লাহ ধীরে ধীরে আমরা যে দেশ দেখতে চাই, তা গড়ে তুলতে সক্ষম হব।’
তিনি আরও বলেন, সরকার সেনাসদস্য এবং সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী দেশ গঠনের চেষ্টা করছে। ‘আমরা ধীরে ধীরে দেশকে সেভাবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছি, যেভাবে সেনাসদস্য ও সাধারণ মানুষ দেখতে চান এবং আশা করেন,’ বলেন তারেক রহমান।
সেনাবাহিনীর কল্যাণে সরকার সচেতন
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনীর সদস্যদের কল্যাণ ও দায়িত্ব সংক্রান্ত বিষয়ে সরকার সচেতন রয়েছে। তিনি গত বছরের ডিসেম্বরে দ্য ডেইলি স্টার ও প্রথম আলো পত্রিকার কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, সেনাসদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১৮ জন সাংবাদিককে উদ্ধার করেছেন, যা প্রশংসার দাবি রাখে।
সেনানিবাস সফরকালে তারেক রহমান তার শৈশব ও ব্যক্তিগত জীবনের স্মৃতিচারণ করেন। তিনি বলেন, তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এই এলাকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।
ঈদ শুভেচ্ছা ও অন্যান্য কর্মসূচি
অনুষ্ঠান শেষে তিনি সেনাসদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং সেনা মেসে অবস্থানরত সৈনিকদের জীবনযাত্রার খোঁজখবর নেন। প্রধানমন্ত্রী সেনা মেস প্রাঙ্গণে একটি নিম গাছের চারা রোপণ করেন এবং দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন। পরে মেসের মসজিদে জোহরের নামাজ আদায় করে সেখানে উপস্থিত সেনা অফিসার ও সৈনিকদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।



