মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়েছে আদালত
মা-মেয়ে হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়েছে

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়েছে আদালত

রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুরে মা ও মেয়েকে হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে ৬ এপ্রিল নির্ধারণ করেছে আদালত। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এই মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ছিল, কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই সহিদুল ওসমান মাসুম তা দাখিল করতে ব্যর্থ হন। এ কারণে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

মামলার পটভূমি ও তদন্তের অগ্রগতি

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মিজানুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মা ও মেয়েকে হত্যার ঘটনায় নিহত লায়লা ফিরোজের স্বামী আ জ ম আজিজুল ইসলাম গত ৮ ডিসেম্বর মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। তিনি উত্তরার সানবিমস স্কুলের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। প্রায় ১৩ বছর ধরে স্ত্রী ও একমাত্র কন্যাকে নিয়ে মোহাম্মদপুরের বাসায় বসবাস করছিলেন, তাদের গ্রামের বাড়ি নাটোরে অবস্থিত।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ৮ ডিসেম্বর সকাল ৭টার দিকে আজিজুল স্কুলে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হন। স্কুলে পরীক্ষা চলায় তিনি দ্রুত বাসায় ফিরে আসেন। বেলা ১১টার দিকে বাসায় ফিরে তিনি স্ত্রী ও কন্যার লাশ দেখতে পান। তার চিৎকারে আশেপাশের বাসিন্দারা সচেতন হয়ে পুলিশকে খবর দেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সিসিটিভি বিশ্লেষণ ও সন্দেহভাজনদের জবানবন্দি

পুলিশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা যায়, সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে আনুমানিক ২০ বছর বয়সী আয়েশা নামের একজন বোরখা পরে ওই বাসায় প্রবেশ করেন। এরপর সকাল ৯টা ৩৬ মিনিটে তিনি স্কুলড্রেস পরে নির্বিঘ্নে বাসা থেকে বেরিয়ে যান। এই স্কুলড্রেসটি খুন হওয়া নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাফিসার বলে শনাক্ত করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজন গৃহকর্মী আয়েশা আক্তার ও তার স্বামী রাব্বি আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। তাদের জবানবন্দি এবং তদন্তের অন্যান্য প্রমাণ আদালতে উপস্থাপনের জন্য প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হচ্ছে।

এই মামলার তদন্ত দ্রুত সমাপ্তির জন্য পুলিশ ও আদালতের তৎপরতা চলছে, তবে প্রতিবেদন দাখিলে বিলম্বের কারণে বিচারিক প্রক্রিয়া কিছুটা পিছিয়েছে। জনগণের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ ও ন্যায়বিচারের দাবি জোরালো হয়ে উঠছে।