২০১৮ সালের ২৬ মে কক্সবাজারের টেকনাফে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন তৎকালীন টেকনাফ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও কাউন্সিলর একরামুল হক। তাঁর শেষ মুহূর্তের কথোপকথন ও গুলির শব্দ মুঠোফোনে রেকর্ড হয়, যা দেশজুড়ে শোরগোল ফেলে। মাদকবিরোধী অভিযানের সময় এ ঘটনা র্যাবের ‘ক্রসফায়ারের’ গল্পগুলো প্রশ্নের মুখে ফেলে।
সাত বছর পর বিচারপ্রক্রিয়া
সাত বছর পর গত বছর তাঁর স্ত্রী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন, যার তদন্ত চলছে। জড়িতদের বিচার দাবি করেছে পরিবার। ঘটনার পর থেকেই একরামুল হকের পরিবার ও স্থানীয়রা ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন করে আসছিলেন।
পরিবারের দাবি
একরামুল হকের স্ত্রী বলেন, ‘আমার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা চাই প্রকৃত অপরাধীদের বিচার হোক।’ তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার সময় র্যাবের বক্তব্য সত্য নয়; এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।’
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একরামুল হক এলাকায় জনপ্রিয় ছিলেন এবং তাঁর মৃত্যুতে এলাকাবাসী শোকাহত। মামলার তদন্ত চলছে, তবে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।



