চলতি বছর নভেম্বর মাসে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ই-স্পোর্টসের বিশ্বকাপ খ্যাত ই-স্পোর্টস নেশনস কাপ। এই প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ দল। বুধবার রাজধানীর তোপখানা রোডের হোটেল এশিয়া অ্যান্ড রিসোর্টসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইলেকট্রনিক স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ড. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. মুনিরুল ইসলাম।
বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও প্রস্তুতি
সভাপতি মুনিরুল ইসলাম বলেন, ‘ই-স্পোর্টস নেশনস কাপে বাংলাদেশ ১৫টি ভিন্ন ভিন্ন ই-স্পোর্টস শিরোনামে অংশগ্রহণ করবে। মোট প্রাইজপুল ২২০ কোটি টাকারও বেশি, যা দেশভিত্তিক ই-স্পোর্টস টুর্নামেন্টগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় আয়োজন। এই ঐতিহাসিক আসরের অংশ হতে পেরে আমরা গর্বিত।’
বাংলাদেশসহ মোট ১৫০টি দেশ এই আসরে অংশ নেবে। ১৫টি ইভেন্টে বাংলাদেশের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৫০ জন গেমার। টিম বাংলাদেশের প্রস্তুতি সম্পর্কে দলের ম্যানেজার আগা রাফসান জানান, বাছাইপর্বে বাংলাদেশকে প্রথমে এশিয়ার দেশগুলোর বিপক্ষে লড়তে হবে। লিডার বোর্ডের শীর্ষ ২-৩ স্থানে থাকলেই মূল পর্বে খেলতে পারবে বাংলাদেশ। মূলত সেই লক্ষ্য নিয়েই প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশের গেমাররা।
দল গঠনের প্রক্রিয়া
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, এই টুর্নামেন্টের জন্য সারা দেশ থেকে প্রায় ১৫০০ গেমার রেজিস্ট্রেশন করে। সেখান থেকে ট্রায়াল এবং একাধিক ধাপের বাছাই প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত দলটি গঠিত হয়েছে। ইভেন্টের তিন কোচ ফারহান ইসলাম, মো. আবিদ হোসেন এবং নাজমুস সাকিব গণমাধ্যমকে জানান, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে জাতীয় দলের জন্য গেমার বাছাই করা হয়েছে। বর্তমানে জোরেশোরে চলছে দলের প্রস্তুতি। মূল আসর শুরু হতে এখনো দুই মাস বাকি থাকায় প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি থাকবে না বলে তাদের বিশ্বাস।
তারা আরও জানান, গেমপ্লে কৌশলের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার প্রশিক্ষণও চলছে সমানতালে।



