নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অবকাঠামো খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে শুরু হলো 'সেইফকন ২০২৬'
নবায়নযোগ্য জ্বালানি, অবকাঠামো নির্মাণ এবং সংশ্লিষ্ট আধুনিক প্রযুক্তির প্রসার ও উন্নয়নের লক্ষ্যে রাজধানীতে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী '১১তম সেইফকন ২০২৬'। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর কুড়িলে অবস্থিত আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টার বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) এ প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। সেভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের আয়োজনে এ আয়োজন চলবে আগামী ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য ও অংশগ্রহণ
আয়োজকদের মতে, 'সেইফকন ২০২৬' এর মূল লক্ষ্য হলো অবকাঠামো নির্মাণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, স্মার্ট পাওয়ার ও লাইটিং, পানি ব্যবস্থাপনা, টিম্বার এবং ইঞ্জিনিয়ার্ড উডসহ সংশ্লিষ্ট আধুনিক প্রযুক্তির প্রসার ও উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করা। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নিয়ে তাদের পণ্য, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী সমাধান উপস্থাপন করছে, যা ব্যবসায়িক যোগাযোগ বৃদ্ধি, প্রযুক্তি বিনিময় এবং নতুন বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউএবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসআরইএ) সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ, ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্ক দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর বিলাল বেলিউর্ট, জেসিআই বাংলাদেশের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট (২০২৬) আরেফিন রাফি আহমেদ, কোরিয়া ট্রেড-ইনভেস্টমেন্ট প্রোমোশন এজেন্সির (কেওটিআরএ) ডেপুটি ডিরেক্টর সুনঘুন লি, চাইনিজ এন্টারপ্রাইজেস অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশের (সিইএবি) সহ-সভাপতি ওয়াং হংবো, বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) সিনিয়র সহ-সভাপতি এ. জেড. এম. আজিজুর রহমান এবং সেভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফয়েজুল আলম।
আয়োজকদের প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, 'সেইফকন ২০২৬' দেশের টেকসই অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। এ আয়োজন নীতিনির্ধারক, প্রকৌশলী, উদ্যোক্তা ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করবে, যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পরিবেশবান্ধব উন্নয়নে মাইলফলক হিসেবে কাজ করতে পারে। প্রদর্শনীটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জ্ঞান বিনিময় এবং স্থায়ী উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক হবে বলে বিশ্লেষকরা মত দিচ্ছেন।



