পিএসজি'র বিরুদ্ধে আদালতের রায়, কিলিয়ান এমবাপ্পেকে ৬১ মিলিয়ন ইউরো দিতে হবে
পিএসজি'র বিরুদ্ধে রায়, এমবাপ্পেকে ৬১ মিলিয়ন ইউরো দিতে হবে

পিএসজি'র বিরুদ্ধে আদালতের রায়, এমবাপ্পেকে ৬১ মিলিয়ন ইউরো দিতে হবে

ফরাসি ফুটবল ক্লাব প্যারিস সেন্ট-জার্মেইন (পিএসজি) তাদের প্রাক্তন ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পেকে বকেয়া বেতন ও বোনাস প্রদানের জন্য ফরাসি শ্রম আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ক্লাবটি শুক্রবার এএফপিকে জানিয়েছে যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে চলা এই আইনি লড়াইটি শেষ করার পথ বেছে নিয়েছে।

আদালতের নির্দেশনা ও পিএসজি'র সিদ্ধান্ত

গত ডিসেম্বরে ফরাসি শ্রম আদালত পিএসজিকে আদেশ দেয় যে, তারা রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকাকে এক মাসের মধ্যে ৬০ থেকে ৬১ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ৭১.৮ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করবে, এমনকি যদি তারা আপিলের সিদ্ধান্ত নেয় তবুও। আদালতের এই এক মাসের সময়সীমা ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গেছে। পিএসজি একটি বিবৃতিতে বলেছে, "দায়িত্বশীলতার স্বার্থে এবং খুব দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই প্রক্রিয়াটির চূড়ান্ত সমাপ্তি টানার জন্য, ক্লাব এই বিবাদটি আর দীর্ঘায়িত না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।"

বকেয়া অর্থের বিস্তারিত

শ্রম আদালতের রায় অনুযায়ী, এই ৬০ থেকে ৬১ মিলিয়ন ইউরোর চূড়ান্ত পরিমাণটি নিম্নলিখিত উপাদান নিয়ে গঠিত:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • ৫৫ মিলিয়ন ইউরো: বকেয়া বেতন হিসেবে।
  • প্রায় ৬ মিলিয়ন ইউরো: ছুটির ভাতা হিসেবে।

এই অর্থ প্রদানের মাধ্যমে পিএসজি এবং এমবাপ্পের মধ্যে আইনি দ্বন্দ্বের একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটছে। ক্লাবটি এএফপিকে আরও জানিয়েছে, "প্যারিস সেন্ট-জার্মেইন এখন দৃঢ়ভাবে ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আছে, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এর ক্রীড়া প্রকল্প এবং সম্মিলিত সাফল্য।"

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এমবাপ্পের ক্যারিয়ার ও পিএসজি'র পরিস্থিতি

কিলিয়ান এমবাপ্পে পিএসজির হয়ে সাতটি মৌসুম কাটিয়েছেন, যেখানে তিনি ৩০৮টি ম্যাচে ২৫৬টি গোল করেছেন। তবে, তার বিদায়ের পর গত মৌসুমে পিএসজি প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগ জয় করে। এমবাপ্পে বর্তমানে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খেলছেন, যেখানে তার বার্ষিক বেতন প্রায় ৩০ মিলিয়ন ইউরো বলে জানা গেছে।

এই আইনি মামলাটি পিএসজির আর্থিক ও প্রশাসনিক দিকগুলোর উপর আলোকপাত করেছে, পাশাপাশি এটি ফুটবল জগতে খেলোয়াড়-ক্লাব চুক্তির জটিলতাগুলোও তুলে ধরেছে। ক্লাবের আপিল না করার সিদ্ধান্তটি একটি দায়িত্বশীল পদক্ষেপ হিসেবে দেখা যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতের ক্রীড়া প্রকল্পে মনোনিবেশ করতে সহায়তা করবে।